আদমদিঘী (বগুড়া) প্রতিনিধি-
বগুড়ার আদমদিঘী উপজেলায় প্রশাসনের তৎপরতা না থাকায় অবৈধ পুকুর খননের হিড়িক। প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতা করে দিন-রাত পুকুর খনন হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন সচেতন মহলে। এলাকা বাসীরা বলেন দৈঘদিন যাবৎ পুকুর খনন করা হলেও নির্মুল বা যথাযথ ব্যবস্হা গ্রহনে ব্যর্থ উপজেলা প্রশাসন। সকল মাটি ছাতিয়ান গ্রাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হয়ে ছাতিয়ান গ্রাম দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মেইন গেট দিয়ে চলাচল করে। ইট ভাটায় এবং ভরাটে নিয়ে যায়। ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আধা কিলোমিটারের মধ্যে এমন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পরেছেন উপজেলা প্রশাসন।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা ছাতিয়ান গ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের আধা কিলোমিটারের মধ্যে চলছে মাটি কাটার মহাউৎসব। এমন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে বাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। ইউনিয়নের বাগবাড়ী গ্রাম দেখা যায় একই চিত্র মেইন রোড এবং ঘনবসতি পূর্ণ এলাকায় দিনরাত চলছে মাটি খনন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না থাকায় মাটি ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি হয়ে পরেছেন এলাকাবাসী।
বালুমহল আইনে জানা যায়, এলাকায় প্রকাশে বা অনুমতি ছাড়া মাটি খনন করা বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ (২০২৩ সালের সংশোধনীসহ) লঙ্ঘন করে [১, ৬]। এই আইনের ৪ ও ৫ ধারা অনুযায়ী, কৃষি জমির উপরিভাগ, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বা আবাসিক এলাকার আশেপাশে ১ কিলোমিটারের মধ্যে অবৈধভাবে ড্রেজার বা ভেকু দিয়ে মাটি কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ [১১, ১২]।এই আইন অমান্য করলে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে [১১]।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্হানীয় বাসিন্দা বলেন,আমার সন্তান বাগবাড়ী স্কুলে পড়াশোনা করে নিয়ন্ত্রণবীহিন অবৈধ ট্রাক্টরের বেপরোয়া চলাচলের কারনে আমার বাচ্চাকে গত ১ সপ্তাহ যাবৎ স্কুলে যেতে দিয়নি নিজেরা যেতেই ভয় পায়। তিনি আরো বলেন নতুন রাস্তা মাটি কাটার জন্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সরকারের কোটি টাকার রাস্তা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না থাকায় নষ্ট এটা দুঃখ জনক আমরা চাই এমন কার্যক্রম আর ১ মিনিট ও না চলুক আমরা এলাকাবাসী অতিষ্ঠ।
এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার (ইউএনও) মাসুমা বেগম কোন মন্তব্য করে নি।

