• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • ধর্মপাশায় ১ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা দেখেন ১১০ প্রাথমিক বিদ্যালয় 

     Md Mokter Hossain 
    18th Jun 2026 2:00 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    জাকিয়া সুলতানা – ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

    সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা একটি হাওর বেষ্টিত উপজেলা।যা আয়তনের দিকে অনেক বড়। আর এত বড় উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম চলছে হামাগুড়ি দিয়ে। গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক শিক্ষা অফিসটি চলছে একজন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা দিয়ে। আর এতে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সংকট চরম আকার ধারণ করেছে ।  সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অভাবে যথাযথ ভাবে বিদ্যালয়গুলো তদারকি কার্যক্রম গুরুতর ভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, বিদ্যালয়ের প্রতিটি ক্লাস্টারে একজন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে মাসে অন্তত ১০টি বিদ্যালয় পরিদর্শন করতে হয়। পরিদর্শনের সময় শিক্ষক উপস্থিতি ও শ্রেণিকক্ষের পরিবেশ দেখা, শিক্ষার মানোন্নয়নে পাঠদানের পদ্ধতি মূল্যায়ন করা, শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া, দুর্বল শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে নির্দেশনা প্রদান, শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করা, নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা, বিভিন্ন রেজিস্টার ও উপস্থিতি খাতা দেখা, ফলাফল পর্যালোচনা করা, সরকার বা শিক্ষা অফিস থেকে আসা নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা, পরিদর্শনের পর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট জমা দেওয়াসহ সমস্যা ও উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে সুপারিশ করার কাজ করে থাকেন।

    ধর্মপাশা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ধর্মপাশা সদর, কান্দাপাড়া, সেলবরষ, বৌলাম, সুনই, সুখাইড়, জয়শ্রীসহ মোট ৭টি ক্লাস্টারে ভাগ করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি ক্লাস্টারে একজন করে ধর্মপাশায় ৭ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা থাকার কথা এর মধ্যে ধর্মপাশা উপজেলায় একজন সহকারী শিক্ষা কর্মকতা কর্মরত আছেন। তাঁকে একই উপজেলার সবকটি ক্লাস্টারের দায়িত্ব পালন করতে হয়।

    কান্দাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাকেশ পাল বলেন, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা না থাকায় শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। ক্লাস্টার ভিত্তিক তদারকি থাকলে শিক্ষা কার্যক্রমে গতিশীলতা আসে এবং সামগ্রিকভাবে শিক্ষার মান উন্নত হয় নির্দিষ্ট সংখ্যক বিদ্যালয় নিয়মিত পর্যবেক্ষণের আওতায় থাকে যা প্রাথমিক শিক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

    বীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম চৌধুরী বলেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী শূন্যতায় প্রশাসনিক নানা কাজ ব্যাহত হচ্ছে। একজন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা দিয়ে বিভিন্ন বিদ্যালয় পরিদর্শন ও ক্লাস্টার পরিচালনা কাজ চালিয়ে নেওয়াও খুব কঠিন।

    ধর্মপাশা উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন,কার্যালয়ে আমিই একমাত্র ব্যক্তি, যেখানে সব কাজই আমাকে করতে হয়। একজনের পক্ষে ৭টি ক্লাস্টারের দায়িত্ব পালন করা অত্যন্ত কঠিন। বিদ্যালয়ের সংখ্যা বেশি হওয়ায় নিয়মিত তদারকি সম্ভব হয় না। কর্মকর্তা কর্মচারী সংকটের কারণে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ক ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ পরিচালনাসহ যাবতীয় কাজকর্ম একা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছি। ফলে শিক্ষা কার্যালয়ের কার্যক্রম ও বিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েছে।

    ধর্মপাশা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দীন মোহাম্মদ বলেন,আমাদের এখানে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের ৬ টি পদ শূন্য সহ এই অফিসে একাধিক পদ শুন্য আছে।আর এতে করে প্রাথমিকের শিক্ষা কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমি আমার উর্ধতন কতৃপক্ষকে লিখিত ভাবে জানিয়েছি সহকারী শিক্ষা অফিসার( এটিও) সহ বাকি শুন্য পদগুলোর নিয়োগ দেওয়া জন্য।

     

    সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ডিপিও মোহন লাল দাস বলেন, আমাদের সুনামগঞ্জ  জেলাতে অনেক উপজেলায় সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সংকট রয়েছে।পদায়ন কাজ চলমান। আমরা আশা করতে পারি আগামী কিছু দিনের মধ্যে ধর্মপাশাসহ প্রত্যেক উপজেলায় শূন্য পদের সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    June 2026
    S M T W T F S
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    282930