• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • ফটিকছড়ি বালুখালী বিটে বন নিধনের হিড়িক, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষোভ, আইনের তোয়াক্কা না করেই চলছে কাঠ পাচার 

     swadhinshomoy 
    11th Jan 2026 2:40 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:
    চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন নারায়ণহাট রেঞ্জের বালুখালী বিট এলাকায় দিনেদুপুরে অবাধে পাচার হচ্ছে অবৈধ কাঠ। প্রকাশ্যেই ট্রাক, পিকআপ ও ভ্যানযোগে বনজ সম্পদ লুট হলেও রহস্যজনক কারণে বন বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, বালুখালী বিটের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে নির্বিচারে গাছ কেটে কাঠ পাচার করা হচ্ছে। দিনের আলোতেই এসব কাঠ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হলেও বন বিভাগের টহল বা নিয়মিত অভিযান কার্যত অনুপস্থিত। এতে করে বন উজাড়ের পাশাপাশি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা এবং ইটভাটার মালিকদের একটি প্রভাবশালী চক্র জড়িত। তাদের যোগসাজশেই বালুখালী বিট থেকে নিয়মিত কাঠ কেটে পাচার করা হচ্ছে। কাঠগুলো মূলত বিভিন্ন ব্রিক ফিল্ডে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    আইন অনুযায়ী, ১৯২৭ সালের বন আইন ও ২০১৩ সালের সংশোধিত বন আইনে সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে গাছ কাটা, পরিবহন ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। একইভাবে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, বন ধ্বংস করে পরিবেশের ক্ষতি করলে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে বাস্তবে এসব আইনের কোনো প্রয়োগ বালুখালী বিট এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।

    এ বিষয়ে বন বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহল মনে করছেন, প্রশাসনের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়েই একটি শক্তিশালী চক্র বন উজাড় করছে।

    স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে জড়িত বিট কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও ব্রিক ফিল্ড মালিকদের আইনের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে বালুখালী বিটের বনাঞ্চল অচিরেই সম্পূর্ণ উজাড় হয়ে যাবে এবং এর বিরূপ প্রভাব পড়বে পরিবেশ, কৃষি ও জনস্বাস্থ্যের ওপর।

    এভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে কাঠ পাচার চলতে থাকলে সরকারের বন সংরক্ষণ কার্যক্রম ও পরিবেশ রক্ষার উদ্যোগ গুরুতর প্রশ্নের মুখে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    January 2026
    S M T W T F S
     123
    45678910
    11121314151617
    18192021222324
    25262728293031