সাংবাদিক মোঃ জাহিদ হোসেন
উত্তরা থেকে
দৈনিক স্বাধীন সময়
ঢাকা শহরের উত্তরের প্রবেশ দ্বার উত্তরা আব্দুল্লাহপুর। ঐতিহাসিক তুরাগ নদীর তীর ঘেঁষে অবস্থিত একদিকে আব্দুল্লাহপুর অন্যদিকে টঙ্গী। এ যেন মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। ঐতিহ্যবাহী তুরাগ নদীর তীরে অবস্থিত এস্তেমা ময়দান যা বিশ্বব্যাপী পরিচিত ও সমাদৃত। বছরের সব সময় ময়দানে দেশিও মেহমান ছাড়াও বিদেশি মেহমানদের আনাগোনা থাকে যা আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত সম্মানের। তুরাগের উত্তর পাড়ে গড়ে উঠা টঙ্গী পাইকারি ও খুচরা বাজার যা দেশের সর্ব স্তরের মানুষসহ উত্তরা টঙ্গী গাজীপুর জেলার আশেপাশের চাহিদা পূরণ করে আসছে বহু কাল ধরে। ঐতিহাসিক এই তুরাগ নদীর উপর অবস্থিত ২ টি লোহার ব্রিজ কালের বিবর্তনে অচল অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে যা জনসাধারণের জীবন যাত্রার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত। খোঁজ নিয়ে জানা যায় এলাকা বাসী ও ব্যবসায়ীদের উদ্দ্যগে কয়েক বার মানববন্ধন করা হয়েছে যার কোনো সুফল পাওয়া যায় নি। উল্লেখ্য বিষয় উক্ত নদীর উপর দিয়ে একটা উরাল সরক নির্মাণ করা হয়েছে যেটি ঢাকা গাজীপুর রুটের গাড়ি চলাচল করে। টঙ্গী বাজার থেকে ঢাকা মুখী গাড়ি উরাল সড়কে উঠতে যে সংযোগ সেতুটি ব্যবহার করা হয় তা অনেকটাই ভঙ্গুর অবস্থায় আছে এবং সেতু প্রস্থের দিক দিয়ে অনেক কম হওয়াতে লোকজনের ওঠা নামা ঝুঁকি পূর্ণ যা জীবন নাশের কারণ হতে পারে। কতৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষন করছি নিচের লোহার ব্রিজ দুটি পূর্ণ নির্মাণ করে তুরাগ নদীর ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা সহ জনজীবন স্বাভাবিক হয়ে উঠুক।

