ঠাকুরগাঁও পতিনিধি:
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলাধীন পাহাড়ভাঙ্গা এলাকায় সাদেকুল ইসলাম বৈধ মালিকানা ও সব ধরনের প্রয়োজনীয় দলিল থাকা সত্ত্বেও নিজের কিনা জমি বুঝে পাচ্ছেন নাএক ভুক্তভোগী মালিক। ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলাধীন চিলারং এলাকার পাহার ভাঙ্গা মৌজার জেলে নং- ১২৮,দাগনং-১৬৪৫ এবং-৩১২ খতিয়ান ভুক্ত ৩২ শতক জমির মধ্যে ৫ শতক জমি ক্রয় করিয়া নেন। জমির প্রকৃত মালিক প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র প্রকাশ দেখালেও প্রভাবশালী একটি মহল তার জমি দখলে বাধা দেন তার জমি নয় বলে তাকে চলে যেতে বলেন। সেই জমিতে তিনি প্রবেশ করতে পারছেনা বলে আভিযোগ উঠেছে। সাদেকুল ইসলাম ভুক্তভোগী সুএে জানা গেছে সংশ্লিষ্ট জমির দলিল মূলে মালিকানা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিটির একটি প্রভাবশালী মহল দখল করে রেখেছে। তিনি বারবার স্থানীয় সালিশি বৈঠক তো হলেও কোন সমাধান দিতে পারেনি। আমার কাছে ৩১২ নম্বর খতিয়ানের বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। ১৬৪৫ নাম্বার দাগে জমি আমি নিশ্চিত মালি খাবো বলে এলাকার সবাই বলছে। আমি জমি পরিমাপ করতে গেলে আমাকে নানাভাবে হয়রানি এবং হুমকি ও জমি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং বলে এখানে কোন জমি নেই। আমি ১৬৪৫ দাগে ৩২ শতক জমির মধ্যে ৫ শতক জমি ক্রয় করিয়া লই ২০০৪ শালে।ভুমি আইন অনুযায়ী খতিয়ান, ও দাগনাম্বার সঠিক থাকলে প্রকৃত মালিকের জমি পাওয়ার কথা। তবে প্রভাবশালী মহলের চাপের মুখে ভূমি অফিস স্থানীয় প্রশাসন অনেক সময় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে অনীহা প্রকাশ দেখাচ্ছেন। দীর্ঘ শুত্রুিতার করছে বলে ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জমিতে না যেতে পেরে আর্থিকভাবে ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন জমির মালিক। এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় অভিযোগ দিলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায় বলে তদন্ত আফিসার এ এস আই রনজু মিয়া বলেন। রনজু মিয়া গোল গড়ে দুই পক্ষকে বসার জন্য তলব জানান।

