নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার দরাজহাট ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের আল্লায়পুর গ্রামে অবৈধভাবে পুকুর খননের কথা বলে মাটি উত্তোলন করে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে এক মাটি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।
আল্লায়পুর গ্রাম থেকে এলাকাবাসী ফোন দিয়ে বলেন আমাদের গ্রামে পুকুর খননের কথা বলে এলাকার বিভিন্ন স্থানে মাটি বিক্রি করছে এক মাটি ব্যবসায়ী, তারা বলেন আমাদের এই সড়কটি নতুন করে সংস্কার করা হয়েছে, অথচ এরা মাটির গাড়ি দিয়ে এই সড়কটি আবার নষ্ট করে ফেলছে, এমন ভাবে মাটির গাড়ি চলছে আবার বৃষ্টির সময়ে ভেঙ্গে যাবে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাস্তায় মাটি এমন ভাবে লেগে আছে বৃষ্টি হলে এই সড়ক দিয়ে ছোট বড় এবং সাধারণ মানুষের চলার কোন অবস্থা থাকবে না। পরে মাটি যেখান থেকে উত্তোলন করছেন সেই জায়গায় যেয়ে দেখা গেছে অনেক বড় পুকুর খনন করছে, জমির মালিক বা মাটি ব্যবসায়ী কাউকে পাওয়া যায়নি।
গাড়ির চালকদের সাথে কথা বলতে গেলে তারা বলেন আমরা নাম জানিনা আমাদের গাড়ির মালিক গাড়ি দিয়ে আমাদের পাঠিয়েছে আমরা মাটি টানছি আমাদের কাছে কারোর নাম্বার নেই আমরা কিছুই বলতে পারছি না।
গাড়ি চালকরা বলেন আমাদের এই বিষয়ে কিছু বলার নেই আপনারা মালিকদের সাথে কথা বলেন সব চেয়ে ভালো হবে।
ওই এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায় তারা বলেন আমাদের কিছু বলার নেই, তারা এলাকার প্রভাবশালী তাদের সাথে আমরা কথা বলি না, আর ভালো করে চিনি না। লোকজন বলেন যার জমি সে, পুকুর কেটে মাছের চাষ করবে তাই মাটি বিক্রি করে দিয়েছে তারা আরো বলেন জমির মালিকের নাম জানা নেই এবং যে মাটি কিনছেন তার নাম ও জানিনা।
ভূমি আইনে মাটি বা বালু অবৈধভাবে উত্তোলন করা যাবে না। পাশাপাশি এলাকার পরিবেশ, সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি করা যাবে না। সম্পন্ন ভাবে নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও এই ভূমিদস্যুরা নিজেদের ব্যবসা এবং নগদ অর্থ ইনকামের জন্য এলাকার পরিবেশ ও সড়কের ক্ষতি করে তাদের অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাঘারপাড়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ভুপালী সরকার কে, মাটি কাটার বিষয়ে ফোন দেওয়া হয় তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বাঘারপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিস্ট্যান্ট) মোঃ আল ইমরান এর সাথে ফোনে মাটি কাটার বিষয়ে কথা বলা হয় তিনি বলেন ঠিক আছে সব কিছু পাঠিয়ে দিন,সব কিছু পাঠিয়ে দেওয়ার পরে কথা হয়, তিনি বলেন আমি লোক পাঠিয়ে দিয়েছি, মাটি আর কাটতে দেওয়া হবে না। পরে দেখা গেছে আবারও মাটি উত্তোলন চলমান রেখেছেন।

