“মা”
আমাতুর রাজ্জাক খানম করুনা
মা,মা, আমি মা, আমার নাম মা, আমি রত্নগর্ভা, তাই আমি মা।
মা দেহের নির্যাস এক হীরা,
মা দু্র্লভ রজনী ঘুম হারা এক নীরা।
মা সন্তান ভালোবাসার এক উন্মাদিনী,
মা বাকহীন, জ্ঞান শূন্য এক কুমুদিনী।
মা সন্তান আগমন, অপেক্ষমান প্রহরী,
মা বিষাদ মনে শূন্য কোঠায় নির্মম লহরী।
মা মেঘনার ঢেউয়ের সাথে অবগাহন।
মা প্রচন্ড ঝড়ের কবলে বৈঠা হীন নৌজান।
মা শূন্য হাড়িতে মিছে মিছে এক রাধুনী।
মা স্নেহের ছায়ায় গড়ে তোলা এক ঘরণী।
মায়ের মিছে আবদার যাসনে বাহিরে,
মায়ের ছলছল দৃষ্টি কভু যাস নে ওপারে।
মা গভীর রাতে চেয়ে থাকা এক হতভাগা,
মা প্রহর গুনে গুনে চঞ্চল রাত জাগা।
মা, চুপি চুপি দরজার ফাঁকে দৃষ্টি রাখা,
কারোর ছায়ায় আৎকে উঠা একা থাকা।
মা আচরিয়ে পড়া এক দুর্লভ চিত্র,
মা সন্তান লাভে সর্বদা হয় মিত্র।
মা, হীরের সুতোয় সেলাই নকশী কাঁথা,
মা বীরের বেশে আশা সন্তানের অপেক্ষা।
মা, বীর সন্তানের অপেক্ষায় পথ পানে চেয়ে থাকা,
মা মধ্যরাতে সন্তানের গম্ভীর সাঁজ দেখা।
মা জায়নামাজে গভীর রাতে অশ্রু ভেজা আখি,
মা সন্তানকে আগলে ধরা এক রাখি।
মা কখনো ছেঁড়া কাপড়ে দৌড়ে পথপারি,
মা কখনো কখনো সন্তানের উজ্জ্বল এক পায়রি।
মা, মা, মা সেতো শুধুই মা।

