• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে ঘেরের পানি নিষ্কাশন অব্যহত, বোরো চাষীরা বিপাকে 

     swadhinshomoy 
    12th Jan 2026 12:34 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    আলমগীর হোসেন, কেশবপুর(যশোর) প্রতিনিধি :

    সরকারের ঘোষিত নির্ধারিত সময়ে ঘেরের পানি সেচ না দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কেশবপুরের বোরো চাষীরা । ধান চাষ করে সারাবছর পরিবারের চাহিদা পূরন করেন তারা। উপজেলার পশ্চিম সারুটিয়ার বরুনা বিলের ঘের মালিক মেজবাহ উদ্দিন মিল্টন, শিমুল হোসেন এবং সোহরাব হোসেন যথাসময়ে পানি সেচ না দেওয়ায় কৃষকরা বোরো চাষ নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন।
    কৃষকরা জানান, বোরো আবাদের লক্ষে প্রতি বছর ৩০ পৌষের মধ্যে বিলের পানি নিষ্কাষনের শর্তে জমি ঘের মালিকদের কাছে লিজ দেয়া হয়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বিলের পানি নিষ্কাষন করতে মাইকিং করা হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে সেচ কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। ওই বিলের অন্যান্য ঘের মালিকরা সরকারের নির্ধারিত সময়ে ঘেরের পানি সেচ দিলে কৃষকরা সেই জমিতে বোরো ধান রোপন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু ওই বিলের অপর ঘের ব্যবসায়ী মেজবাহ উদ্দীন মিল্টনসহ একাধিক ঘের ব্যবসায়ী সরকারের নির্ধারিত সময়ে সেচ না দিয়ে তালবাহানা করছেন। তারা ঘের গুলো ১২ মাস চাষ করার জন্য কৃষকদের সাথে প্রতারনা করে চলেছেন। লোক দেখানো কয়েকটি মেশিন সেট করে পানি সেচ না দিয়ে বন্ধ করে রেখেছেন। সরকারী সময়সীমা শেষ হওয়ায় কৃষকের চাপে পড়ে গত দুই সপ্তাহ ধরে একাধিক মেশিন দিয়ে পানি সেচ দিয়ে বরুনার খালে দিচ্ছে এসব ঘের মালিকরা। এতে পাশের ঘেরের জমিতে বোরো ধান রোপন করা কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন। পানি না থাকায় ঘেরের বাধ ভেঙ্গে বোরো ধানের ক্ষেতে চলে আসায় জমির মালিকরা সেচ্ছায় বাধ সংস্কারের কাজ করছেন বলে জানা গেছে। পানি সেচ কার্যক্রম অব্যহত রাখলে যে কোন মুহুর্তে পানির চাপে ঘেরের বাধ ভেঙ্গে বোরো ক্ষেত নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা।
    কৃষকরা এবিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এবিষয়ে জমির মালিক শফিকুল ইসলাম, পীর আলী বাক্স, আব্দুর রহমান ও খোকন বলেন, ঘের মালিক মেজবাহ উদ্দিন মিল্টন, শিমুল হোসেন এবং সোহরাব হোসেনের কারনে জমির মালিকরা বোরো চাষ নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন। এই জমিতে বোরো চাষ করে সারাবছর পরিবারের চাহিদা পূরন করেন তারা। ধান চাষ না করতে পারলে তাদের না খেয়ে থাকতে হবে। সরকারের নির্ধারিত সময়ে ঘের মালিকরা সেচ না দিয়ে সময়সীমা পার হওয়ার পরে সেচ দিয়ে বোরো চাষীদের ক্ষতিগ্রস্থ করছেন। ইতিমধ্যে পানির চাপে বাধ ভেঙ্গে গেছে আমরা সেচ্ছাশ্রমে সংস্কার করেছি। মূলত তারা ঘেরটি সারাবছর চাষ করার জন্য কৃষকের সাথে প্রতারনা করে চলেছেন।
    ঘের মালিক মেজবাহ উদ্দীন মিল্টন বলেন, একটা মেশিন চলছে। আজ (রোববার) বাকি সব মেশিন তুলে নেওয়া হবে।
    উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১৪ হাজার ৪২৫ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বছর পানি কম হওয়ায় আশা ছিলো ধান আবাদের লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। কিন্তু কতিপয় ঘের মালিক যথাসময়ে পানি সেচ না দেওয়ায় অনেক কৃষক বোরো চাষ করতে পারছেন না। উপজেলা সমন্বয় মিটিংয়ে এবিষয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
    উপজেলা মৎস্য অফিসার সুদিপ বিশ্বাস বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    January 2026
    S M T W T F S
     123
    45678910
    11121314151617
    18192021222324
    25262728293031