• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • নাইক্ষ্যংছড়িতে চোরাচালান সিন্ডিকেটের বিস্তার 

     swadhinshomoy 
    28th Jan 2026 1:47 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    মোহাম্মদ ওসমান।
    নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:
    নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে গরু চোরাচালান কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না। অভিযোগ রয়েছে, এই চোরাচালানের আড়ালেই মিয়ানমার থেকে ইয়াবা, সিগারেট ও ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য দেশে প্রবেশ করছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে খাদ্যপণ্য, ভোজ্য তেল, জ্বালানি তেল, নির্মাণসামগ্রী এবং সার-কীটনাশক।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, সীমান্তবর্তী সোনাইছড়ি ও ঘুমধুম ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক উপজাতি যুবক আরাকান আর্মির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব যুবকদের ব্যবহার করে সীমান্তে মাদক, স্বর্ণ ও গরুসহ বিভিন্ন পণ্যের অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

    চোরাচালান কার্যক্রমে সীমান্তসংলগ্ন বৈধ গরুর বাজারগুলোও ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সদর ইউনিয়নের চাকঢালা গরু বাজারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। বাজারটির ইজারাদার আবু ছৈয়াদ—যিনি আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং পরবর্তীতে বিএনপিতে যোগ দেন—তার মাধ্যমে অবৈধ গরুর রশিদ করিয়ে চোরাচালান সহজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব রশিদ ব্যবহার করেই সীমান্তের বিভিন্ন চেকপোস্ট পারাপার সহজ হচ্ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

    এদিকে, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কিছু বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে আরাকান আর্মির চোরাকারবারিদের ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে সীমান্ত এলাকায় মাঝে মাঝেই গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় হতাহতের খবরও পাওয়া যাচ্ছে।

    স্থানীয়দের ভাষ্য, আরাকান আর্মিতে যুক্ত এসব যুবক সীমান্ত এলাকায় তথ্য পাচার ও মাদকের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখছে। তারা এপারে সাধারণ নাগরিক হিসেবে চলাচল করলেও সীমান্ত অতিক্রমের পর সশস্ত্র তৎপরতায় যুক্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    চোরাচালানকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনাও বেড়েছে। এরই মধ্যে গত ২০ জানুয়ারি চেরারকুল এলাকার মো. শরিফ উদ্দিন এবং রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের দোছড়ি গ্রামের মোহাম্মদ সাইমন (২৮) বকেয়া পাওনা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মিয়ানমারে আটক হন বলে জানা গেছে। তাদের মুক্তির দাবিতে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে চেরারকুল সীমান্ত এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন এলাকাবাসী ও স্বজনরা।

    আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সূত্র জানায়, গত এক বছরে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান সংশ্লিষ্ট সহিংসতায় অন্তত শতাধিক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। অনেকের হাত-পা বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

    বিজিবি সীমান্তে নজরদারি জোরদার রাখলেও সীমান্তবর্তী বৈধ বাজারে অবৈধ গরুর রশিদ করানো এবং পথে-ঘাটে ভুয়া রশিদ ব্যবহারের কারণে চোরাচালান প্রতিরোধে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    এলাকাবাসীর দাবি, সীমান্তে অপরাধ দমনে রশিদ ব্যবস্থার সংস্কার, গরু বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত অভিযান জোরদার করা জরুরি।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    January 2026
    S M T W T F S
     123
    45678910
    11121314151617
    18192021222324
    25262728293031