• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • মধ্যনগরে ৯ হাজার হেক্টর জমির ধান তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা 

     swadhinshomoy 
    24th Feb 2026 3:47 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি।
    টাঙ্গুয়ার হাওরের নজরখালী ও নাওটানা ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ করা না হলে সর্বস্বান্ত হতে হবে স্থানীয় কৃষকদের। এমন বার্তা দিয়ে ওই দুটি বাঁধের কাজের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশী এই অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষকরা। বোরো চাষিদের শঙ্কা–এবার হয়তো জলে ভাসবে হাজারো কৃষকের সোনার ফসল। সে ক্ষেত্রে গোটা অঞ্চল ব্যাপক খাদ্য ও অর্থ সংকটে পড়বে।
    স্থানীয় সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) তাহিরপুর উপজেলায় হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণে ৮৮টি প্রকল্পের বিপরীতে ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। তবে অনুমোদিত তালিকায় নজরখালী বাঁধ অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় তাহিরপুর ও মধ্যনগর উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ৮২টি গ্রামের কৃষকদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান আগাম বন্যার ঝুঁকিতে পড়েছে।
    স্থানীয়রা জানান, টাঙ্গুয়ার হাওর জলাভূমি হিসেবে ঘোষিত হওয়ায় সরকারি উদ্যোগে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। তবে প্রতি বছর প্রশাসনের পক্ষ থেকে থোক বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেই অর্থ ও কৃষকদের স্বেচ্ছাশ্রমে উত্তর ও দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নে অস্থায়ীভাবে বাঁধ নির্মাণ করা হয়। এ বছরও দ্রুত থোক বরাদ্দ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
    কৃষকদের আশঙ্কা, নজরখালী বাঁধ না থাকলে গনিয়াকুরি, এরালিয়াকুনা, নান্দিয়া, রাঙামাটিয়া, ফলিয়ার বিল, সামসাগর, রুপাভূই, লামারবিল, সোনাডুবি, করছরি, লুঙ্গাতুঙ্গা, শালদিগা, হানিয়া কলমা ও মুক্তারখলা হাওরসহ বিস্তীর্ণ এলাকার ফসল পানিতে ডুবে যাবে।
    মধ্যনগর উপজেলার দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের রংচি গ্রামের কৃষক মুহাম্মদ আলী বলেন, নজরখালী বাঁধ নির্মাণ না হলে উত্তর ও দক্ষিণ বংশীকুন্ডা এই দুই ইউনিয়নের সব বোরো ধান আগাম বন্যায় ভেসে যাবে। বহু বছর ধরেই প্রশাসন এ বাঁধের কাজ করেছে। কিন্তু গত তিন বছর ধরে জেলা প্রশাসন টাঙ্গুয়ার হাওরকে জলাভূমির সনদ দেওয়ার কারণে বাঁধ নির্মাণে উদ্যোগ নিচ্ছে না।
    সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মধ্যনগর উপজেলার রংচি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সালাম জানান, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন কেন কৃষকদের স্বার্থের পরিপন্থি কাজ করছে বিষয়টি পরিষ্কার নয়। এখানে কী চলছে তা জানা দরকার। তিনি আরও বলেন, নজরখালী বাঁধের ভেতরে ৮০ ভাগ জমিই পড়েছে মধ্যনগর উপজেলার উত্তর বংশীকুণ্ডা ইউনিয়ন ও দক্ষিণ বংশীকুণ্ডা ইউনিয়নের কৃষকদের। টাঙ্গুয়ার হাওরপারের ৮২ গ্রামের কৃষকদের দাবি, নজরখালী বাঁধটি নির্মাণের।
    এ বিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান মানিক বলেন, নজরখালী বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ জানায়নি। বিষয়টি জানালে সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    February 2026
    S M T W T F S
    1234567
    891011121314
    15161718192021
    22232425262728