পীরগন্জ (রংপুর) প্রতিনিধি:
রংপুর জেলার পীরগন্জ উপজেলার ইয়াবা গডফাদার ও বালু সিন্ডিকেটের মূল হোতা গোলাম রব্বানী সম্প্রতি নীলফামারীতে ইয়াবা সহ আটকের খবর পাওয়া গেছে। কথিত গোলাম রব্বানীর বাড়ি পীরগন্জের মিলনপুর নিজেকে যুবলীগের জেলা ও উপজেলার শীর্ষ স্থানীয় নেতা হিসেবে জাহির করা এই মাদক কারবারী বিগতদিনে পীরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র তাজীমুল ইসলাম শামীমের স্নেহধন্য, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী কয়েকজন নেতার ভাগিনা, কারো ভাই, কারো বন্ধু পরিচয়ে দাপটে ছিল। তৎকালীন একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে মাদক কারবারী হিসেবেই শীর্ষস্থানে বেশ কয়েকজনের তালিকায় তার নাম উঠে আসে। পাশাপাশি ধর্মদাসপুর বাঁশপুকুরিয়া গ্রামে করতোয়া নদী অবৈধভাবে দিনের পর দিন বালু উত্তোলন করে বালু খেকো হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি তার। গোলাম রব্বানী একজন মাদক কারবারী এই বিষয়টি যখন বিভিন্ন নেতার কাছে উপস্থাপন করেছিলাম তখন উল্টো আমাকেই শায়েস্তা করতে উঠেপড়ে লেগেছিল একটি চক্র। গোলাম রব্বানী নিজেকে যুবলীগ নেতা জাহির করে ফেস্টুন ব্যানারে ভরিয়ে দিয়েছিল গোটা পীরগঞ্জ। প্রতিবাদ করেও প্রতিকার মেলেনি। কেন প্রতিকার মেলেনি সেটি অবশ্য আমাদের অনেকের কাছে তা স্পষ্ট। শুধু গোলাম রব্বানী নয় দলীয় ব্যানারের অন্তরালে পীরগঞ্জের অনেকেই মাদক ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত। এদের পেশী শক্তির জোরও অনেক বেশি। স্বচ্ছ রাজনীতি করার যোগ্যতা তাদের নেই। ধীরে ধীরে থলের বিড়াল সব বেরিয়ে আসবে। কথায় আছে ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। অপেক্ষা করেন আরো অনেকের মুখোশ উন্মোচিত হবে ইনশাআল্লাহ।
ভদ্রতার আরালে পীরগন্জের হাজার হাজার মানুষ রাতের আঁধারে বড়লোক হয়ে যায় ২-৪ তলা বাড়ি দেয় টাকাগুলো কোথায় পায় বৈধ পথে টাকা ইনকাম করা এতটাই কি সহজ এগুলো তার বাস্তব প্রমাণ সব অবৈধ, ঘুস, দালালি, চাকুরী বানিজ্য, মাদক, নারী, ইত্যাদির পয়সা তাদের আবার ভাবও বেশি।
এরাই আবার আমাদের সমাজে সবথেকে ভালো মানুষের রুপ ধারণ করে থাকে
নীলফামারী জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ৯১০ (নয়শত দশ) পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০১ জন মাদক কারবারী গ্রেফতার।
POLICE MEDIA CELL NILPHAMARI
[ 03-MAR-2026 ]
গত ইং-০২/০৩/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ মাননীয় পুলিশ সুপার, নীলফামারী মহোদয়ের নির্দেশক্রমে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ মতলুবর রহমান এর তত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা শাখা, নীলফামারীর একটি চৌকস আভিযানিক দল প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নীলফামারী সদর থানার পৌরসভাধীন নীলফামারী সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয় এর সামনে বড়মাঠ সংলগ্ন ফুটপাতের পাকা রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করিয়া আসামী ১। মোঃ রব্বানী মিয়া (৩৪), পিতা-মোঃ খাজা মিয়া, সাং-মিলনপুর, থানা- পীরগঞ্জ, জেলা-রংপুরকে আটক করা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষী সহ আরো অনেকের উপস্থিতিতে বিধি মোতাবেক ধৃত আসামী মোঃ রব্বানী মিয়া এর দেহ তল্লাশী কালে তাহার পরিহিত কালো রংয়ের জিন্স প্যান্টের পিছনের ডান পকেট হইতে সাদা পলিথিনে মোড়ানো ০২ টি পোটলায় হালকা কমলা রংয়ের (৫০০০২)=১০০ (একশত) পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা করা হয়। পরবর্তীতে ধৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে তাহার বর্তমান বাসার ঠিকানা জানাইতে গড়িমসি করিলে বিষয়টি সন্দেহ হওয়ায় আসামীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তাহার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আসামীকে সাথে লইয়া নীলফামারী সদর থানাধীন সংগলশী ইউনিয়নস্থ দক্ষিণ বালা পাড়া জনৈক মোঃ আমিনুর ইসলাম ওরফে কালা (৪৭), পিতা-মৃত ছফদ্দি মামুদের বাড়ীতে ধৃত আসামী মোঃ রব্বানী মিয়া এর ভাড়াকৃত বাসায় অভিযান পরিচালনা করিয়া তাহার শয়ন কক্ষের ভিতর উপরের সিলিং এ ০১ টি প্লাস্টিকের ছোট বৈয়ামের ভিতর রক্ষিত অবস্থায় আরো ৮১০ (আটশত দশ) পিস অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। সেই সাথে সূত্রোক্ত মামলায় সর্বমোট (১০০+৮১০)=৯১০ (নয়শত দশ) পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উক্ত অবৈধ মাদকদ্রব্যের বাজার মূল্য অনুমান ২,৮৩,০০০/- (দুই লক্ষ তিরাশি হাজার) টাকা। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় যে, ধৃত আসামী মোঃ রব্বানী মিয়া একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। সে ভাড়া বাসায় থাকিয়া দীর্ঘদিন যাবৎ পরিচয় গোপন রাখিয়া মাদকদ্রব্য ক্রয় বিক্রয় করিয়া আসিতেছে।
গৃহীত ব্যবস্থাঃ ধৃত আসামীর বিরুদ্ধে নীলফামারী জেলার নীলফামারী সদর থানার মামলা নং-০৪, তারিখ-০২/০৩/২০২৬ খ্রিঃ, জিআর নং-৭১/২০২৬, ধারা- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬ (১) স্বারণিক ১০ (ক) রুজু হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে

