• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • রাজধানীর উত্তরায় গরে উঠেছে অবৈধ আবাসিক হোটেল রাতভর চলে অসামাজিক কার্যকলাপ 

     swadhinshomoy 
    07th Apr 2026 11:48 am  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    এ আর সুমন,ঢাকা প্রতিনিধি:
    রাজধানীর প্রবেশদ্বার উত্তরার আবদুল্লাহপুর এলাকাটি এখন আবাসিক হোটেলের আড়ালে অসামাজিক কার্যকলাপ ও নারী ব্যবসার নিরাপদ দুর্গে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-গাজীপুর সীমান্তবর্তী এই এলাকায় ৪-৫টি আবাসিক হোটেল গড়ে তুলেছে এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট।

    বাইরে সাইনবোর্ডে আবাসিক লেখা থাকলেও ভেতরে চলছে তরুণীদের দিয়ে রমরমা দেহব্যবসা। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিটি হোটেলের সামনে ও আশপাশে দালাল এবং ইনফর্মারদের শক্ত বলয় থাকায় সাধারণ মানুষের পক্ষে এসবের প্রতিবাদ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই অপরাধ সাম্রাজ্যের অন্যতম মূল কেন্দ্র হোটেল প্রাইম ইন। উত্তরার ফুটপাত ও সড়কে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার অসামাজিক ভিজিটিং কার্ডের মূল শিকড় এই হোটেলটি।

    কার্ডে দেওয়া নাম্বারে যোগাযোগ করলেই গ্রাহকদের সরাসরি আবদুল্লাহপুরের এই ঠিকানায় ডেকে আনা হয়। হোটেলের সরু প্রবেশপথে অবস্থান নিয়ে দালালরা কাস্টমার ভেতরে ঢোকানোর কাজ করে এবং বিনিময়ে মোটা অঙ্কের কমিশন পায়। হোটেলের ভেতরে প্রবেশ করলেই দেখা যায় অন্ধকার এক জগত। ২য় ও ৩য় তলায় লোকদেখানো রুম থাকলেও মূলত ৪র্থ ও ৫ম তলায় চলে মূল অপকর্ম।

    ৪০১ নম্বর কক্ষের সামনের ডেস্কে বসে ম্যানেজাররা অসামাজিক কাজের ‘স্লিপ’ বিতরণ করে। প্রতিটি কাজের জন্য ১০০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হলেও তার বড় অংশই নিয়ে নেয় দালাল চক্র। এক একটি রুমে ২০-৩০ জন করে তরুণীকে গাদাগাদি করে রেখে চালানো হয় এই জঘন্য ব্যবসা।

    শুধু প্রাইম ইন নয়, এর আশপাশে থাকা আরও ৪-৫টি হোটেল একই কায়দায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এসব হোটেলে কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই, নেই কোনো রেজিস্টার খাতা। এমনকি ভেতরে ঢোকা কাস্টমারদের অনেক সময় জিম্মি করে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগও রয়েছে। এর আগে একাধিকবার প্রশাসনের অভিযানে এসব হোটেল থেকে অনেককে গ্রেপ্তার করা হলেও রহস্যজনক কারণে কয়েকদিন পরই তারা জামিনে বেরিয়ে এসে পুনরায় একই ব্যবসা শুরু করে।

    আবদুল্লাহপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্টে প্রশাসনের নাকের ডগায় এভাবে একের পর এক আবাসিক হোটেল গড়ে ওঠায় ধ্বংসের মুখে পড়ছে দেশের যুবসমাজ। এলাকাবাসীর দাবি, শুধু লোকদেখানো অভিযান নয় বরং এসব অসামাজিক ব্যবসার ভবনগুলো সরাসরি সিলগালা করে দিয়ে স্থায়ীভাবে এই জঘন্য চক্রকে নির্মূল করতে হবে। অন্যথায় এই সামাজিক ব্যাধি পুরো উত্তরা ও সংলগ্ন এলাকাকে গ্রাস করবে বলে মনে করেন সচেতন নাগরিক সমাজ।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    April 2026
    S M T W T F S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    2627282930