• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • দুর্ঘটনায় বিপর্যস্ত ময়মনসিংহের রেলপথ – সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন 

     Md Mokter Hossain 
    23rd Aug 2026 11:26 am  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    জামালপুর জেলা প্রতিনিধি : নাজমুল হাসান

    দুর্ঘটনায় বিপর্যস্ত
    ময়মনসিংহের রেলপথ, সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন
    ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ হয়ে জামালপুর, নেত্রকোনা ও গৌরীপুর-এই রেলপথে যাত্রীদের কাছে এখন নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো যেন অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। পথে পথে দেখা দিচ্ছে ইঞ্জিন বিকল, বগির সঙ্গে ইঞ্জিনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন কিংবা একাধিক বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা। এসব দুর্ঘটনায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বন্ধ থাকছে রেল যোগাযোগ। এর সঙ্গে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেন উদ্ধারে যাওয়া রিলিফ ট্রেনেরও লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকির পাশাপাশি প্রশ্ন উঠছে, দুর্ঘটনা মোকাবিলায় রেলওয়ের সক্ষমতা নিয়েও।

    সাম্প্রতিক কয়েক মাসের ঘটনাগুলো পর্যালোচনা করলে ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশন ও আশপাশের সেকশনে একের পর এক লাইনচ্যুতির চিত্র পাওয়া যায়। সর্বশেষ ৭ আগস্ট গফরগাঁও রেলস্টেশনে প্রবেশের আগে ঢাকাগামী জামালপুর কমিউটার ট্রেনের পাওয়ারকারসহ চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। পরে উদ্ধারকাজ শেষে রেলযোগাযোগ স্বাভাবিক হয়।

    আরও পড়ুন মুন্সিগঞ্জ-নারায়ণগঞ্জ / ‘সাবিত আল হাসান’র ঘটনা ভোলেনি কেউ, তবুও ঝুঁকিই সঙ্গী
    গত ১৬ জুলাই ময়মনসিংহের শ্যামগঞ্জ এলাকায় রেলওয়ের একটি গ্যাংকারের চাকা লাইনচ্যুত হয়। এতে ময়মনসিংহের সঙ্গে ঝারিয়া ও মোহনগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। একই দিনে প্রায় তিন ঘণ্টার ব্যবধানে নগরীর নতুন বাজার এলাকায় চট্টগ্রামগামী বিজয় এক্সপ্রেসের একটি বগির চারটি চাকা লাইনচ্যুত হয়। ফলে ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটেও ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়।

    রেলের উন্নয়নে অবহেলার কারণে জনগণ নিরাপদ যাতায়াত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারও সম্ভাব্য রাজস্ব হারাচ্ছে। রেলকে কার্যকর গণপরিবহন হিসেবে গড়ে তুলতে হলে অবকাঠামো, ইঞ্জিন ও কোচ সব ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

    এরও আগে ২৪ জুন গৌরীপুর রেলওয়ে জংশনে শ্যান্টিংয়ের সময় চট্টগ্রামগামী বিজয় এক্সপ্রেসের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়। আর ১০ জুন ময়মনসিংহ নগরীর তিনকোনা পুকুরপাড় এলাকায় ঢাকাগামী ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসের পাওয়ারকার লাইনচ্যুত হওয়ার পর সেটি উদ্ধারে যাওয়া রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত হয়। ওই ঘটনায় ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং পরে প্রায় সাড়ে তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

    অর্থাৎ কয়েক মাসের ব্যবধানে যাত্রীবাহী ট্রেন, রেলওয়ের গ্যাংকার এবং উদ্ধারকারী ট্রেন পর্যন্ত লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ময়মনসিংহ অঞ্চলের রেলপথের সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

    পুরোনো ইঞ্জিনে ভরসা, বাড়ছে বিকল হওয়ার ঘটনা
    শুধু লাইনচ্যুতিই নয়, এ অঞ্চলে ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হওয়ার ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে। চলন্ত ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন লাগা, অতিরিক্ত গরম হয়ে বিকল হওয়া, ইঞ্জিন ও বগির সংযোগস্থলের হুক ভেঙে যাওয়া কিংবা বিকল্প ইঞ্জিন দিয়েও ট্রেন চালাতে না পারার মতো ঘটনা ঘটছে।

    সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ময়মনসিংহ অঞ্চলে চলাচলকারী অনেক লোকোমোটিভের বয়স ৩০ থেকে ৪৫ বছর। এমনকি ৭০ বছরের বেশি পুরোনো ইঞ্জিনও রয়েছে। অথচ একটি ইঞ্জিনের স্বাভাবিক অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল প্রায় ২০ বছর ধরা হয়। ফলে পুরোনো এসব ইঞ্জিন দিয়ে নিয়মিত যাত্রী ও পণ্যবাহী ট্রেন চালানোয় মাঝপথে যান্ত্রিক ত্রুটির ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

    ‘রেলপথে যারা দায়িত্ব পান, তাদের অবহেলার কারণেই পরিস্থিতি এতটা নাজুক হয়েছে। দীর্ঘদিন রেলপথ সংস্কার না করা, নিয়মিত পাথর না ফেলা এবং পুরোনো ইঞ্জিন যথাযথভাবে মেরামত না করায় যাত্রা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।’

    ময়মনসিংহ লোকোশেডের পরিদর্শক শফিউল হাসান বলেন, পুরোনো ইঞ্জিন ও দুর্বল রেলপথের কারণে নির্ধারিত গতিতে ট্রেন চললে নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছে। অনেক সময় পূর্ণাঙ্গ মেরামতের আগেই ইঞ্জিন আবার চলাচলে নামানো হয়। রেলপথ সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগে একাধিকবার চিঠিও দেওয়া হয়েছে।

    তার ভাষ্য, পুরোনো ইঞ্জিনগুলো অতিরিক্ত গরম হয়ে মাঝপথে বিকল হওয়ার ঘটনাও ঘটে। নতুন ইঞ্জিন সংযোজন ছাড়া এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

    দুর্বল লাইনে ঝুঁকি, কমছে ট্রেনের গতি
    ইঞ্জিনের পাশাপাশি রেলপথের অবস্থা নিয়েও রয়েছে অভিযোগ। ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা, জামালপুর, গৌরীপুর, নেত্রকোনা ও চট্টগ্রামমুখী রেলপথের বিভিন্ন অংশে দীর্ঘদিন বড় ধরনের সংস্কার হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন গাবতলী থেকে হাতিরঝিলের নিচ দিয়ে দাশেরকান্দি যাবে মেট্রোরেল
    বিশেষ করে শ্রীপুর থেকে ময়মনসিংহ হয়ে বিদ্যাগঞ্জ, গৌরীপুর, আঠারবাড়ি, মোহনগঞ্জ ও জারিয়া পর্যন্ত বিভিন্ন অংশে পাথর বা ব্যালাস্টের ঘাটতি, পুরোনো স্লিপার এবং নাট-বল্টু ও ফিশপ্লেটের দুর্বলতার অভিযোগ রয়েছে। ফলে লাইনের স্থিতিশীলতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি ট্রেনের গতি কমিয়ে চালাতে হচ্ছে।

    ‘লাইনচ্যুতির ঘটনা তুলনামূলক কম হলেও নিয়মিত ইঞ্জিন বিকলের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। অধিকাংশ ইঞ্জিনই মেয়াদোত্তীর্ণ। নতুন ইঞ্জিন সংগ্রহ প্রয়োজন।’

    রেলওয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান বলেন, লাইনচ্যুতির ঘটনা তুলনামূলক কম হলেও নিয়মিত ইঞ্জিন বিকলের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। অধিকাংশ ইঞ্জিনই মেয়াদোত্তীর্ণ। নতুন ইঞ্জিন সংগ্রহ প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, শ্রীপুর থেকে ময়মনসিংহ হয়ে বিদ্যাগঞ্জ, গৌরীপুর, আঠারবাড়ি, মোহনগঞ্জ ও জারিয়া পর্যন্ত রেলপথ সংস্কার জরুরি। পাথর কমে যাওয়ায় রেললাইনে চাপ পড়ছে। এতে কোথাও কোথাও লাইন দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। লাইন সংস্কার করা হলে লাইনচ্যুতির ঘটনা কমার পাশাপাশি ট্রেনের গতিও বাড়বে। এ বিষয়ে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল একটি প্রকল্প প্রণয়নের কাজ করছে।

    একটি দুর্ঘটনায় ভেঙে পড়ে শিডিউল
    ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশন উত্তরাঞ্চল ও বৃহত্তর ময়মনসিংহের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগকেন্দ্র। ঢাকা, জামালপুর, নেত্রকোনা, মোহনগঞ্জ, জারিয়া ও চট্টগ্রামমুখী ট্রেন চলাচলের কারণে একটি রুটে দুর্ঘটনা ঘটলে এর প্রভাব পড়ে একাধিক রুটে।

    ৭ আগস্ট গফরগাঁওয়ে জামালপুর কমিউটারের চারটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার পর ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে প্রায় সাড়ে সাত ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। এমন ঘটনায় শুধু দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেন নয়, পেছনে থাকা এবং বিপরীত দিক থেকে আসা একাধিক ট্রেনের সময়সূচিও এলোমেলো হয়ে যায়।

    ১০ জুন ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসের পাওয়ারকার লাইনচ্যুত হওয়ার পর উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছিল।

    একজন যাত্রীর কাছে এসব ঘটনা শুধু একটি ট্রেনের বিলম্ব নয়। কর্মজীবী মানুষকে অফিসে পৌঁছাতে দেরি করতে হয়, শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বা ক্লাসে সময়মতো পৌঁছাতে পারেন না, রোগী ও স্বজনদের চিকিৎসার সময়সূচি নষ্ট হয়। অনেক ক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে যাত্রীরা মাঝপথে নেমে বাস, সিএনজি কিংবা অন্য যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যেতে বাধ্য হন।

    ইঞ্জিন সংকটে বন্ধ ট্রেনও
    ময়মনসিংহ অঞ্চলে ইঞ্জিন ও কোচ সংকটের প্রভাব পড়েছে নিয়মিত ট্রেন চলাচলেও। সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইঞ্জিন ও কোচ সংকটের কারণে ভাওয়াল ও ধলেশ্বরী মেইল ট্রেন, মোহনগঞ্জগামী দুটি লোকাল ট্রেন এবং জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জগামী একটি লোকাল ট্রেন বন্ধ রয়েছে।

    অর্থাৎ, যেসব ট্রেন চালু রয়েছে সেগুলোর ওপরই বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। একটি ইঞ্জিন বিকল হলে বিকল্প ইঞ্জিন জোগাড় করতে সময় লাগছে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটি ট্রেন উদ্ধারে অন্য ট্রেনের ইঞ্জিন বা রিলিফ ব্যবস্থাকে কাজে লাগাতে হচ্ছে। এতে পুরো রেল ব্যবস্থায় তৈরি হচ্ছে এক ধরনের চেইন রিঅ্যাকশন।

    নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও দীর্ঘদিন ধরে ময়মনসিংহের রেলপথের দুরবস্থার বিষয়টি তুলে ধরছেন।

    সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ময়মনসিংহ মহানগর শাখার সম্পাদক আলী ইউসুফ বলেন, রেলপথে যারা দায়িত্ব পান, তাদের অবহেলার কারণেই পরিস্থিতি এতটা নাজুক হয়েছে। দীর্ঘদিন রেলপথ সংস্কার না করা, নিয়মিত পাথর না ফেলা এবং পুরোনো ইঞ্জিন যথাযথভাবে মেরামত না করায় যাত্রা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।

    তিনি বলেন, রেলের উন্নয়নে অবহেলার কারণে জনগণ নিরাপদ যাতায়াত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারও সম্ভাব্য রাজস্ব হারাচ্ছে। রেলকে কার্যকর গণপরিবহন হিসেবে গড়ে তুলতে হলে অবকাঠামো, ইঞ্জিন ও কোচ সব ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

    আরও পড়ুন ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর / ২০ বছর ধরে শুধু চুনাপাথর আমদানি, রপ্তানি হয় না কিছুই
    রেলওয়ে কর্মকর্তারা বলছেন, ময়মনসিংহ অঞ্চলের রেলপথের মানোন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পুরোনো রেলপথ সংস্কার এবং নতুন ইঞ্জিন সংগ্রহের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

    তবে প্রকল্প প্রণয়ন থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সময় লাগবে। আর সেই সময়ের মধ্যে পুরোনো ইঞ্জিন ও দুর্বল রেলপথ দিয়েই ট্রেন চালাতে হবে। ফলে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের আগ পর্যন্ত যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কারণ সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো বলছে, বিষয়টি এখন আর বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কয়েক মাসের ব্যবধানে গফরগাঁও, শ্যামগঞ্জ, নতুন বাজার, গৌরীপুর ও ময়মনসিংহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় লাইনচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইঞ্জিন বিকল ও রিলিফ ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনাও।

    বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টদের মতে, ময়মনসিংহ অঞ্চলের রেল যোগাযোগকে নিরাপদ ও সময়নিষ্ঠ করতে হলে শুধু নতুন ট্রেন চালু করলেই হবে না। পুরোনো ইঞ্জিনের পরিবর্তে আধুনিক লোকোমোটিভ, ঝুঁকিপূর্ণ রেলপথের পূর্ণাঙ্গ সংস্কার, পর্যাপ্ত ব্যালাস্ট ও নতুন স্লিপার, পয়েন্ট ও লুপলাইনের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং আধুনিক কারিগরি পরিদর্শন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

    একই সঙ্গে ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটের সক্ষমতা বাড়াতে ডাবল লাইন ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ডুয়েল গেজ অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়টিও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় রাখতে হবে।

    না হলে কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও পুরোনো ইঞ্জিন ও দুর্বল রেললাইনের কারণে এক্সপ্রেস ট্রেন চলবে লোকালের গতিতে, আর যাত্রীদের কাছে ট্রেনে ওঠা মানেই থেকে যাবে অনিশ্চিত যাত্রার আরেক নাম।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    August 2026
    S M T W T F S
     1
    2345678
    9101112131415
    16171819202122
    23242526272829
    3031