• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • কুয়াশার চাদরে ঢাকা তাড়াশ: হাড়কাঁপানো শীতে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে নেমেছে নিঃশব্দ অভিশাপ 

     swadhinshomoy 
    27th Dec 2025 1:55 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    মোঃ আলামিন হোসেন | তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ):

    ভোরের আলো ফোটার আগেই তাড়াশ যেন ঢেকে যায় ঘন কুয়াশার সাদা চাদরে। সূর্য ওঠে ঠিকই, কিন্তু তার উষ্ণতা পৌঁছায় না খেটে খাওয়া মানুষের শরীরে। হিমেল হাওয়ার কামড়ে প্রতিদিনই নতুন করে লড়াই শুরু হচ্ছে শ্রমজীবী মানুষ, পথচারী, শিশু ও বৃদ্ধদের জীবনে। এই শীত যেন তাদের কাছে শুধুই ঋতু নয়—একটি নীরব দুর্যোগ, এক অদৃশ্য শত্রু।
    তাড়াশের আঞ্চলিক সড়ক, হাট-বাজার আর বাসস্ট্যান্ডে তাকালেই দেখা যায় শীতের নির্মম চিত্র। রিকশাচালকের কাঁপা হাত, দিনমজুরের নীল হয়ে আসা আঙুল, বৃদ্ধের কাঁপতে থাকা শরীর—সবকিছু মিলিয়ে এক করুণ বাস্তবতা। অনেকেই ছেঁড়া কাঁথা বা পাতলা কাপড় গায়ে জড়িয়ে জীবনের দায়ে বের হয়েছেন কাজে। চোখেমুখে জমে আছে অসহায়ত্বের ভাষা।
    শীতের এই দাপটে সবচেয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে শিশুরা। ফুটপাতে মায়ের কোলে জড়সড় হয়ে থাকা শিশুর চোখে নেই শৈশবের উচ্ছ্বাস, আছে শুধু ঠান্ডার যন্ত্রণা। বয়স্কদের জন্য এই শীত আরও ভয়ংকর—শ্বাসকষ্ট, জ্বর, সর্দি-কাশিতে নুয়ে পড়ছে তাদের জীবন।
    একজন দিনমজুর ভারী কণ্ঠে বলেন,
    “শীত আমাদের মারছে দুই দিক থেকে—একদিকে কাজ কম, আরেকদিকে শরীর চলে না। কাজ না করলে না খেয়ে থাকতে হয়।”
    অন্যদিকে ভ্যানচালকরা জানান, কুয়াশার কারণে সকাল পর্যন্ত যাত্রীই পাওয়া যায় না। ফলে সারাদিন পরিশ্রম করেও ঘরে ফিরছেন প্রায় খালি হাতে। এই শীত যেন কেড়ে নিচ্ছে তাদের ন্যূনতম বেঁচে থাকার নিশ্চয়তাটুকু।
    স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে পরিবারগুলো পড়েছে চরম দুশ্চিন্তায়।
    এখনো অনেক দরিদ্র পরিবারের ঘরে শীতবস্ত্র পৌঁছায়নি। সমাজের বিত্তবান ও প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া এই শীত মোকাবিলা করা তাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে।
    তাড়াশে বইছে শীতের হিমেল বাতাস, কিন্তু তার চেয়েও ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনের বাস্তবতা। এই শীত শুধু প্রকৃতির পরীক্ষা নয়—মানবিকতারও এক কঠিন পরীক্ষা

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    December 2025
    S M T W T F S
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    28293031