• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • স্বাস্থ্যঝুঁকি,পরিবেশ দূষণ ও দুর্ভোগ সৃষ্টিকারী হল আবাদ পুকুর মুরগি ব্যবসায়ীরা 

     swadhinshomoy 
    29th Apr 2026 4:22 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি :
    নওগাঁ জেলার রাণীনগর উপজেলায় আবাদ পুকুর থেকে রাণীনগর উপজেলা সদর দিকে যাবার রাস্তায় প্রায় দুই কিলোমিটার প্রধান সড়কের দু’পাশে মুরগি  ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন অবাধে আবর্জনা ফেলে যাচ্ছেন। একইসঙ্গে আবাদ পুকুর চার মাথা থেকে মাদারতলী যাওয়ার রাস্তার দু’পাশেও ফেলা হচ্ছে মুরগির নাড়িভুঁড়ি, পালক, রক্ত ও পচা বর্জ্য। এতে করে এ সড়কগুলো দিয়ে চলাচলকারী শত শত মানুষ প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, আবাদ পুকুর থেকে রাণীনগর উপজেলা সদরের দিকে যাবার প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের দু’ধারে স্তূপ হয়ে পড়ে আছে মুরগির বর্জ্য, মুরগির পালক, নাড়িভুঁড়ি, রক্ত ও পচা অবশিষ্টাংশ। রাস্তার পাশে ফেলে রাখার কারণে চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে তীব্র দুর্গন্ধ। একই দৃশ্য দেখা গেছে আবাদ পুকুর চার মাথা থেকে মাদারতলী যাওয়ার রাস্তাতেও। দিনের পর দিন এই আবর্জনা জমতে জমতে এখন তা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

    এই সড়কগুলো দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করেন শত শত যানবাহন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিদ্যালয়গামী শিশু ও শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এই দুর্গন্ধময় পথ পেরিয়ে স্কুল-কলেজে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন। চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষক, দিনমজুরসহ সকল শ্রেণির কর্মজীবী মানুষ এবং বৃদ্ধ থেকে শিশু পর্যন্ত সকল বয়সের সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত এই অসহনীয় পরিবেশের মধ্য দিয়ে চলাফেরা করতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেকে মুখে কাপড় চেপে পথ পার হচ্ছেন।

    পথচারী বাদল জানান, মুরগির আবর্জনার কারণে সন্ধ্যার পরপরই শিয়ালের আনাগোনা শুরু হয় এবং পথচারীদের উপর শিয়ালের দল আক্রমণ করে। তিনি বলেন, “এমন ঘটনার সম্মুখীন আমি নিজেও হয়েছি। তাই রাস্তায় চলাচলের সময় মনে ভয় কাজ করে। বিশেষ করে শীতকালে শিয়ালের উপদ্রব আরও বেড়ে যায়।”

    দিনমজুর আফজাল হোসেন বলেন, “মুরগির ময়লা খেতে কুকুর রাস্তার উপর চলাচল করে, ফলে মোটরসাইকেল আরোহীরা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হন।

    পচে যাওয়া মুরগির র বর্জ্য থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধ এবং সেখানে মশা-মাছির ব্যাপক বংশবিস্তার এলাকার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানিতে এই বর্জ্য আশপাশের জমি ও জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়লে পরিবেশ দূষণ আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। স্থানীয় চিকিৎসকদের মতে, এ ধরনের পরিবেশে ডায়রিয়া, চর্মরোগ ও শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগব্যাধি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    এলাকার বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা চলে আসছে। বারবার মৌখিকভাবে অভিযোগ জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, “প্রতিদিন ছেলেমেয়েদের নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে যেতে হয়। গন্ধে নাক বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু কেউ দেখার নেই।” একজন ব্যবসায়ী বলেন, “এই আবর্জনার কারণে এলাকার ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে, কিন্তু প্রশাসন নীরব।”

    মুরগি ব্যবসায়ী বাইজিদ ও শহীদ বলেন,মুরগি ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বর্জ্য ফেলার স্থান নির্ধারণ না করার কারণেই মূলত এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

    তবে সচেতন মহল মনে করছেন,মুরগি ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দিষ্ট বর্জ্য ফেলার স্থান নির্ধারণ, সড়কের পাশে আবর্জনা ফেললে জরিমানার বিধান কার্যকর করা সহ
    উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার নিয়মিত পরিষ্কার অভিযান পরিচালনা করলে এমন দুর্ভোগ থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব ।

    তার সাথে আরো কিছু কথা যোগ করে বলেন,সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই জনদুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হবে এবং জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    April 2026
    S M T W T F S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    2627282930