• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • সাহতা ভূমি অফিসে ঘুষের অভিযোগ 

     swadhinshomoy 
    02nd Jun 2026 12:59 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিস যেন ‘ঘুষ বানিজ্যের স্বর্গরাজ্য ’ টাকা ছাড়া মেলে না কাঙ্ক্ষিত সেবাসোহেল খান দূর্জয়- নেত্রকোনা : নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলার ২নং সাহতা ইউনিয়নের ভুমি অফিসে টাকা ছাড়া মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সেবা,এক কথায় সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিস এখন ঘুষ বানিজ্যের স্বর্গরাজ্য। স্হানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তার নিজেই কাজের ধরন ও জমির পরিমাণ অনুযায়ী ঘুষের হার নির্ধারণ করে থাকেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং এসব বিষয় নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরে জাতীয় দৈনিক ইনকিলাব, সহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার শিরোনামে উঠে এসেছে সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিস যেন ঘুষের হাট, আরও বিভিন্ন শিরোনামে বিভিন্ন পত্রিকায় তার নামে ঘুষের নিউজ হলেও এখন পর্যন্ত তিনি তার স্হানে বহাল রয়েছেন,এখন প্রশ্ন হলো এই ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তার প্রকাশ্যে এতো কিছু করেও কিভাবে তিনি এখনো চাকুরীতে বহাল রয়েছেন। এদিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাহতা ইউনিয়ন ভুমি অফিসের ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তার এক সেবা গ্রহীতার কাছ থেকে প্রকাশ্যে ৩০০০ টাকা ঘুষ গ্রহণ করছেন এবং তা নিয়ে দরবার শালিশের একটি ভিডিও স্যোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।সরেজমিনে গিয়ে আরও জানা গেছে, তিনি সেবাগ্রহীতাদের দিনের পর দিন হয়রানি করে আসছেন। এখন প্রশ্ন হলো প্রকাশ্যে এতো কিছু হওয়ার পরও কি এগুলো উপজেলা কিংবা জেলা প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তার নজরে কি আসেনি।

    এদিকে ঘুষের লেনদেনের বিষয় সম্পর্কে জানতে চাইলে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তার কিছুটা বিচলিত হয়ে বলেন, আমি কারো কাছ থেকে কোনো টাকা নেইনি। ঘুষের টাকা গ্রহণের শালিশ দরবারের একটি ভিডিও সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধারণ করা থাকলেও সেই ভিডিও দেখিয়ে টাকার পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে না পেরে চুপ হয়ে যান। সরেজমিনে গিয়ে আরও জানা গেছে, ভূমি-সংক্রান্ত সব কাজে সেবাগ্রহীতাদের গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা, নয় তো পড়তে হয় সীমাহীন ভোগান্তিতে। অনিয়ম, ঘুষ, দুর্নীতি, হয়রানি নানা অভিযোগ উঠেছে এই ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তারের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে সাহতা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভিতরে ঢুকলেই শাহানা আক্তারের নিজের করা আইন মানতে হয় ভূমিসেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে। এতে অসহনীয় ভোগান্তিতে পড়তে হয় সেবাগ্রহীতাদের।

    আরও জানা গেছে, খাজনার দাখিলার জন্য (ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ) সরকার নির্ধারিত ফির চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করলেও রসিদ দেয়া হয় সরকারি হিসাবে। এসবের মাধ্যমে প্রতি মাসে লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন এই ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শাহানা আক্তার। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, নাম খারিজের বেলায় সরকারি নির্ধারিত ফি এক হাজার ১৫০ টাকা হলেও অতিরিক্ত হিসেবে আট থেকে ১০ হাজার টাকা এমনকি ব্যক্তি ভেদে ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেন ওই ভূমি কর্মকর্তা শাহানা আক্তার। আরও জানা যায়,এই দাবিকৃত ঘুষের অর্থ দিতে কেউ অস্বীকার করলে তাকে নানা টালবাহানা করে জমির মালিকদের হয়রানি করেন তিনি। শুধু এখানেই তিনি কান্ত নয়, তিনি তার সরকারি রেখে অফিসের পাশে থাকা একটি দোকানে বসে অফিস পরিচালনা করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    এ বিষয়ে জানতে বারহাট্টা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সাজেদুল ইসলামের ফোনে কল করলে তিনি বলেন,ভিডিওটি আমরা দেখেছি, ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এবং এই ভূমি কর্মকর্তাকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে এর ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তারের কাছে ফোন করলে তিনি এই প্রতিনিধিকে জানান,এই বিষয়টি এসিল্যান্ড দেখছেন। তবে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে জানতে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুখময় সরকারের কাছে ফোন করলে তিনি এই প্রতিনিধিকে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    June 2026
    S M T W T F S
     123456
    78910111213
    14151617181920
    21222324252627
    282930