সালাউদ্দীন মুন্না, চট্টগ্রাম (হাটহাজারী) প্রতিনিধিঃ
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে গুমান মর্দ্দন ইউনিয়নের বাসিন্দাদের চলাচলের একমাত্র রাস্তা পেশকারহাট থেকে সিএনজি যোগে সরকারহাট বাজারে আসে। যা বিপরীতভাবে বললে সরকারহাট বাজার থেকে শুরু হয়ে পেশকারহাট গিয়ে শেষ হয়েছে।সরকারহাট বাজার থেকে বালু শাহ গেইট দিয়ে প্রবেশ করা স্থানটি ০১ নং ওয়ার্ড কুমারীকুল। ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বাড়ী পার হয়ে ০২ নং ওয়ার্ড গাবগুলাতলের কিছু অংশ নিয়ে ছাদেকনগর সড়ক। বাকি সড়ক মহাজন ঘাটা, মনোহর ঘাটা, কদল ঘাটা, জোরারকুল ০৩ নং ওয়ার্ড, পেশকারহাট ০৪ নং ওয়ার্ড উত্তর-পূর্ব গুমান মর্দ্দনের শেষ সীমান্ত।এটি গুমান মর্দ্দন ইউনিয়নের বাসিন্দাদের চলাচলের প্রধান সড়ক। এ ছাড়াও ফটিকছড়ির দক্ষিণ-পূর্ব হালদা নদীর (হাটহাজারী) পাশে হওয়াতে এই অংশের মানুষদের (হালদা নদী ব্রীজ দিয়ে পার হয়ে) চলাচল গুমান মর্দ্দনের প্রধান সড়ক দিয়ে। এত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি দিনের পর দিন অবহেলিত হয়ে পড়েছে। বিগত সময়ে ২০২৪ সালে নির্বাচনের আগের দিন অনেক প্রচেষ্টার মাধ্যমে কুমারীকুল রাস্তা মাথা থেকে মহাজন ঘাটা পর্যন্ত সড়ক কিছুটা সংস্কার করলেও বাকিটা যেন মরণফাঁদ। প্রতিনিয়ত ঘটছে কোনো না কোনো ঘটনা। গুমান মর্দ্দন ইউনিয়ন ধান চাষের উর্বর এলাকা। মহাজন ঘাটা থেকে রাস্তার বাম পাশে ধান চাষের জমিতে সেচের ব্যবস্থা করতে খাল খনন করা হয়েছিল। এটি রাস্তার সাথে লাগানো। সড়কটির মনোহর ঘাটা অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বিশেষ ব্যক্তি ও সিএনজি সমিতির অর্থায়নে সংস্কারের চেষ্টা করা হলেও তা বিশাল ব্যয়বহুল খরচের কাছে হার মানতে বাধ্য। সরকারী অর্থায়ন ছাড়া এটি সংস্কার সম্ভব নয়।

