• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • কুমিল্লা মেডিকেলে খুবই গাদাগাদি অবস্থা মেয়ের চিকিৎসা নিচ্ছেন শিশুরা 

     swadhinshomoy 
    31st Mar 2026 5:15 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    মোঃ ইকবাল মোরশেদ ::- স্টাফ রিপোর্টার।

    কুমিল্লা জেলার কুমিল্লা কেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা অসুস্থ শিশু বাচ্চারা কুমিল্লা মেডিকেলে ভর্তি করার পরে খুবই ‘গাদাগাদি’ অবস্থায় হামের চিকিৎসা নিচ্ছেনএবং আরো জানযায় তিন শিশুকে ঢাকা নেওয়ার পরে ঢাকাতেই ৩ শিশুর মৃত্যু হয়।

    এইদিকে হঠাৎ করেই হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায়তে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশুদের ‘গাদাগাদি’ অবস্থায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এরই মধ্যে কুমিল্লায় আক্রান্ত তিন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। যদিও তাদের নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি।

    জেলা সিভিল সার্জন আলী নূর মোহাম্মদ বশির সোমবার (৩০ মার্চ) বলেন, কুমিল্লায় ২১ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। শিশুদের পাশাপাশি বয়স্করাও আক্রান্ত হচ্ছে। বিভিন্ন উপজেলা থেকে তথ্য আসছে। আমরা সেগুলো সংগ্রহ করছি এবং তাদেরকে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

    কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে গিয়ে দেখা গেছে, জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে হাম আক্রান্ত শিশুদেরকে হাসপাতালটিতে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের অভিভাবকদের চোখে-মুখে দুশ্চিন্তার ছাপ।

    শিশু ওয়ার্ডের বিভাগীয় প্রধান মিয়া মনজুর আহমেদ বলেন, এখানে যারা হাম আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে তাদেরকে বিশেষায়িতভাবে সেবা দেওয়ার জন্য আলাদা একটি ওয়ার্ড গঠন করা হয়েছে। মার্চের ১৮ তারিখ থেকে এখনো পর্যন্ত এ হাসপাতালে ২৫ জন শিশু হাম আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে আটজনকে চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। দুইজনকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে। বাকি ১৫ জন চিকিৎসাধীন।

    হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুর মা তামান্না আক্তার বলেন, “মেঝেতে চাটাই বিছিয়ে চিকিৎসা নিতে আসছি। শিশুর নিউমোনিয়া নিয়ে এসেছি, এখন গায়ে রেশ আর গুটি দেখে এই ওয়ার্ডে দেওয়া হয়েছে।”

    ব্রাহ্মণপাড়া থেকে আসা শিশুর মা আসমা ফেরদৌস বলেন, “একসঙ্গে এতজন এক রুমে থাকলে তো সমস্যা আরো বাড়বে। এক রুমে এখন আছি ৮-১০ জন; সঙ্গে আত্মীয়-স্বজন আছে আরো ৮-১০ জন। সব মিলিয়ে গাদাগাদি অবস্থা।”

    সদর দক্ষিণ থেকে আসা আক্রান্ত শিশুর বাবা মোঃ সজিবুল ইসলাম জানান, “একজন থেকে আরেকজনে যেন সংক্রমিত না হয় তাই বড় জায়গা দরকার। আরো আলো-বাতাস দরকার। আরো রোগী বাড়লে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হিমশিম খাবে।”

    রোগী বাড়লে সমস্যা বাড়বে জানিয়ে হাসপাতালের পরিচালক মোঃ মাসুদ পারভেজ বলেন, “হাসপাতালে ৫২টি শয্যার বিপরীতে শিশু রোগীর সংখ্যা ১৭৯ জন। তার উপর হামের উপসর্গ নিয়ে রোগী আসছে। আমরা বাড়তি রোগীর বেড দেব কিভাবে? তাই তাদের মেঝেতে কষ্ট করে থাকতে হচ্ছে। তবে রোগী বাড়লে আরো সমস্যা হবে।”

    তবে জানযায় টীকা ও চিকিৎসা নিয়ে কোনো অবহেলা নেই বলেও জানান পরিচালক।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    March 2026
    S M T W T F S
    1234567
    891011121314
    15161718192021
    22232425262728
    293031