• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • অপরাধ জগতে বারবার উঠে আসছে যাদের নাম 

     Md Mokter Hossain 
    07th Jul 2026 3:07 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    ​নিজস্ব প্রতিবেদক

    ​ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় সোনাপুর ইউনিয়নে অপরাধ জগতের এক আতঙ্কের নাম ‘দুলাল বাহিনী’। দীর্ঘদিন ধরে এই বাহিনীর একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি এবং নিরীহ মানুষদের ওপর শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা এখানে নিত্যনৈতিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, একের পর এক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কেন এই বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না? তাদের এই ‘খুটির জোর’ কোথায়? এদের ​ত্রাসের রাজত্বে দিশেহারা সাধারণ মানুষ।

     

    গতকাল ৬ জুলাই তজুমদ্দিনের সোনাপুর ইউনিয়নে এক বৃদ্ধ পুরুষ ও মহিলাকে জোরপূর্বক প্রকাশ্যে জুতার মালা পড়াতে দেখা যায়। এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর ঐ মহিলা সাংবাদিকদের জানান তিনি স্থানীয় মেম্বারে বাসায় সহযোগিতার জন্য যান।মেম্বার বাসায় না থাকায় মেম্বারের কাছে আসা আরেকজন বৃদ্ধ পুরুষকে দুলাল প্রধানের ছেলে ও তার সহযোগিরা এলোপাতাড়ি হামলা করে বাজারে এনে প্রকাশ্যে জুতার মালা পরায়। এই দুলাল বাহিনীর বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ গত ঈদুল আজহার দুই দিন পূর্বে চাঁদা না পেয়ে জিল্লু নামের এক যুবককে দুলাল প্রধানের ছেলে সজিব প্রকাশ্যে এলোপাতাড়ি হামলা করতে দেখা গেছে। কিছুদিন আগে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুলাল প্রধান ও তার ছেলে সজিবের হামলায় ৫ জন গুরুতর আহত হয়। একের পর এক অপরাধ করেই যাচ্ছে তারা।
    স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দুলাল বাহিনীর সদস্যরা রাতে সংঘবদ্ধভাবে এলাকায় মহড়া দেয়। বিশেষ করে নদী তীরবর্তী এলাকা এবং চরাঞ্চলে তাদের আধিপত্য সবচেয়ে বেশি। মাছের ঘের দখল, কৃষকের ফসল লুট এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত ‘মাসোহারা’ আদায় করা এই বাহিনীর প্রধান আয়ের উৎস। প্রতিবাদ করতে গেলেই নেমে আসে নির্যাতন।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক সচেতন নাগরিক জানান, দুলাল বাহিনীর পেছনে প্রভাবশালী মহলের অদৃশ্য হাত রয়েছে। তারা বলছেন, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকার কারণেই পুলিশি অভিযানের আগেই তারা খবর পেয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। স্থানীয় প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তির আর্থিক স্বার্থ রক্ষা করে এই বাহিনী, যার বিনিময়ে তারা পায় আইনি সুরক্ষা ও রাজনৈতিক শেল্টার। এভাবেই গড়ে উঠেছে তাদের শক্তিশালী বলয়, যা ভেঙে ফেলার সাহস পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ।


    থানায় বারবার অভিযোগ করার পরও প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ বাড়ছে এলাকাবাসীর মধ্যে।
    স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসন যদি এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নেয়, তবে অচিরেই তজুমদ্দিনের আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটবে।

     

    তজুমদ্দিনের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসন এখন কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা জানতে চাইলে তজুমদ্দিন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান গতকাল প্রকাশ্যে জুতার মালা দেওয়ার ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে।তবে অভিযান চলমান রয়েছে কোন অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    July 2026
    S M T W T F S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    262728293031