swadhinshomoy
13th Nov 2025 5:45 pm | অনলাইন সংস্করণ Print
এসএম সুমন রশিদ,আমতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি:
আমতলীতে হোন্ডা আর পাটের খড়ি ব্যবসার পাশাপাশি লেবু চাষের পরামর্শ নিয়ে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করে সফল হলো সাইদুল নামের এক লেবু চাষী। তিনি ৪ বছর ধরে লেবু চাষ করে আসছেন। এতে সফল এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে স্বাবলম্বী হলেন।
আমতলী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আমতলী উপজেলায় ১১.৫ হেক্টর জমিতে এ বছর লেবুর আবাদ হয়েছে। ফলন হয়েছে ৪১.৫ মেট্রিক টন। আবাদকৃত লেবুর ভিতরে জনপ্রিয় জাত হল সিডলেস, বারি লেবু -০১ ও কাগজি লেবু এবং স্থানীয় জাত।
ইচ্ছে শক্তি আর পরিশ্রম একজন মানুষকে সফলতার সর্ব শেখরে নিয়ে যেতে পারে। তার জলন্ত উদাহরণ বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের গুলিশাখালী গ্রামের মোক্তের মেম্বরের ছেলে মো: বাদশা হাওলাদারের ছোট ছেলে লেবু চাষী মো: সাইদুল ইসলাম।
সাইদুল হাওলাদার তিনি একসময় হোন্ডা ভাড়ায় চালাতো একদিন স্বপ্ন দেখতে শুরু করলো লেবু চাষের। হটাৎ করে রাতারাতি সিদ্ধান্ত নিলো লেবু চাষ করার।গত ৪ বছর আগে ১০ শতাংশ জমিতে ৪শ থেকে ৫শত হাজারেরও বেশি এলাচি লেবুর গাছ লাগিয়েছি। বর্তমানে প্রতিটি গাছ থেকে বছরে ১ হাজারেরও বেশী লেবুর ফলন পাওয়া যাবে। দুই বছর পর থেকে টানা ১৫ বছরেরও বেশী সময় ধরে এই বাগান থেকে লেবুর ফলন পাওয়া যাবে।
তিনি ১০ শতাংশ জমিতে এলাচি জাতের লেবুর চাষ করে বছরে টাকা আয় করছেন তিনি। এ এলাচি লেবু চাষ করে আজ সে সফল একজন কৃষক। আগামী চৈত্র ও বৈশাখ মাসে এবং রমজানে লেবু বিক্রি করে ৫ লাখ টাকা আয় করবেন তিনি।
গুলিশাখালী গ্রামের বাসিন্দা এলাচি লেবু চাষী সাইদুল হাওলাদার বলেন, আমি এই এলাচি লেবু চাষে খরচের তুলনায় লাভজনক হওয়ায় আমি ধারাবাহিক বজায় রেখে এ লেবুচাষ করতে সক্ষম হই। উদ্ভূত হচ্ছে এই চাষে। বাগান পরিচর্যায় ঘাস নিড়ানো, আগাছা পরিস্কার, সার ছিটানো ও শ্রমিক খরচে প্রতি বছর ব্যয় হয় প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা। এতে যে পরিমান অর্থ ব্যায় হয় তার দ্বিগুন বিক্রিতে আসে।এধতে আমি সফল চাষী মনে করি।
তিনি আরো জানান,সরকারি সহযোগিতা আর পরামর্শ পেলে আরো ভালো কিছু করে দেখাবে। এমনটাই প্রত্যাশা তার।
আমতলী উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রাসেল বলেন, আমতলী উপজেলায় ১১.৫ হেক্টর জমিতে এ বছর লেবুর আবাদ হয়েছে। ফলন হয়েছে ৪১.৫ মেট্রিক টন। আবাদকৃত লেবুর ভিতরে জনপ্রিয় জাত হল সিডলেস, বারি লেবু -০১ ও কাগজি লেবু এবং স্থানীয় জাত। লেবুর সারা বছর চাহিদা থাকায় এবং কৃষক ন্যায্য মূল্য পাওয়ার কারণে দিন দিন আমতলী উপজেলায় লেবুর আবাদ বেড়েই চলছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ মাঠ পর্যায়ে কৃষকদেরকে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন।
উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের
+88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।

