এনামুল আদমদীঘি প্রতিনিধি:
বগুড়ার আদমদীঘিতে শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী গৃহবধূ ঝরনা আক্তার নিজেই বাদী হয়ে আদমদীঘি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন তার শাশুড়ি মোছা. বুলুন (৬০) ও ননদ মোছা. রানী (৩০)। ঘটনাটি ঘটে উপজেলার নশরতপুর শিহারী গ্রামে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঝরনা আক্তারের সঙ্গে বেনজুর হোসেনের ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে তিন সন্তান রয়েছে। প্রায় সাত মাস আগে তার স্বামী তাকে গ্রামের বাড়িতে রেখে ঢাকায় চলে যান।
গৃহবধূর অভিযোগ, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অভিযুক্তরা কোনো কারণ ছাড়াই তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং স্বামীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলতে বাধা দেন। এমনকি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেও দেননি। গত কয়েক দিন ধরেই তাকে নিয়মিতভাবে গালিগালাজ ও মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুর ২টার দিকে তিনি গৃহস্থালির কাজ করার সময় পুনরায় গালিগালাজের শিকার হন। এ সময় তিনি প্রতিবাদ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে শাশুড়ি ও ননদ তাকে কিল-ঘুষি মারেন এবং চুল ধরে মাটিতে ফেলে দেন। একপর্যায়ে শাশুড়ি ইট দিয়ে তার কপালে আঘাত করলে তিনি গুরুতর জখম হন। এছাড়া তাকে জবাই করে রেললাইনে ফেলে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ আতাউর রহমান জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

