• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • নদী কেটে ছয়লাপ দু-মাস পেরিয়ে গেলে রহস্যজনক অভিযান প্রশাসনের;জনমনে প্রশ্ন 

     swadhinshomoy 
    02nd Mar 2026 2:39 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    আদমদিঘী (বগুড়া) প্রতিনিধি-
    বগুড়ার আদমদিঘী উপজেলায় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবৈধ পুকুর খননের হিড়িক পড়েছে। প্রশাসনের সঙ্গে সমঝোতা করে দিন-রাত ফসলি জমি-সহ নদীর বাধ ও পুকুর খনন হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে জোরপূর্বক নদীর বাধ অবৈধ ভাবে খনন করছে। এমন অভিযোগ তুলে সাংবাদিক মহলে এলাকাবাসীরা মৌখিক ভাবে অভিযোগ করেছে। এলাকা বাসীরা বলেন দু-মাস ধরে নদী খনন করা হলো সকল মাটি ছাতিয়ান গ্রাম হয়ে ইট ভাটায় এবং ভরাটে নিয়ে গেল কখনো উপজেলা কিংবা থানা থেকে কোন অভিযান আমরা দেখিনি। মাটি কাটা শেষ হওয়া মাএ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন একাধিক দপ্তর।

    উপজেলাবাসীরা বলছেন, বিএনপি সরকার আমলে এটা কিভাবে সম্ভব, অবশ্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট কোনো ব্যক্তি অভিযোগ দিলে এস্কেভেটরের (ভেকু) ব্যাটারি খুলে আনতে দেখা যায়। পরবর্তী সময়ে দুই/একদিনের ভেতর কি এমন সমঝোতা করে ব্যাটারিসহ সকল টুলবক্স দিয়ে দেওয়া হয় তা জানা যায় বিষয়টি একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

    উপজেলা প্রশাসন এবং থানা পুলিশের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে প্রতিনিয়ত জমির আকার পরিবর্তন করে পুকুর খনন করা হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন কোনোরকম কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করছে না। থানা পুলিশ বলছে পুকুর খনন বন্ধ করার দায়িত্ব উপজেলা প্রশাসনের।

    এদিকে উপজেলার ইন্দোইল মেইন রাস্তার পাশ্বে দেখা যায় সড়ক ও জনপদের রাস্তার যায়গা দখল করে পুকুর খনন করা হয়েছে। সেখানেও প্রশাসনের পক্ষে থেকে কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি বরং পাকা রাস্তার উপর মাটি দিয়ে রাস্তার কিছু অংশ নিজ দখলে নিয়েছেন এই দখলদার।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাতিয়ান গ্রাম ইউনিয়নের স্হানীয় বাসিন্দা বলেন, আগে আ. লীগের নেতারা পুকুর খননের ব্যাপারগুলি নিয়ন্ত্রণ করত। এখন খোলস পাল্টে বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে পুকুর খনন করছে। পুকুর মালিকরা বর্তমানে এই খোলস পাল্টানো দালালদের নিকট জিম্মি।

    স্থানীয়রা বলছে, শুধুমাত্র অনেক টাকা লেনদেনের কারণে পুকুর খননের কার্যক্রম কোনোভাবেই থামছে না। তাই উপজেলা জুড়ে তিন ফসলি জমিতেই পুকুর খনন করা হচ্ছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, দেশের মানুষ কি শুধু শুধু মাছ খেয়ে জীবনধারণ করবে। সকল ফসলেরও প্রয়োজন রয়েছে। তিনি আরো বলেন, যারা পুকুর খনন করে তারা সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি, তাদের বিরুদ্ধে গিয়ে এলাকায় থাকা যাবে না।

    এদিকে সান্তাহার সরকারি কলেজের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যেভাবে পুকুর খনন চলছে, এক সময় এই উপজেলায় কোনো ফসলি জমি থাকবে না। তারপরও যত্রতত্র পুকুর খননের ফলে এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে সান্তাহার পৌর এলাকা এবং সান্তাহার ইউপির বেশিরভাগ জমি পুকুর খনন করা হয়ে গিয়েছে। এদিকে উপজেলার একাধিক স্থানে পুকুর খনন করার জন্য খননকারী দালালরা, নেতা এবং প্রশাসনের নিকটে দৌড়ঝাপ করতে দেখা যাচ্ছে। আর মাটি বহন করতে গিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মানকৃত গ্রামীণ সড়কগুলো চোখের সামনে দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

    এ ব্যাপারে আদমদীঘি উপজেলা নিবার্হী অফিসার (ইউএনও) মাসুমা বেগম বলেন,আমরা গত দুই মাসে ১০ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করেছি। যেহেতু অভিযানে গেলে অনেক সময় যারা মাটি কাটছে তাদের পাওয়া যায়না তাই শাস্তি দেওয়া যায়না। এক্ষত্রে সচেতন নাগরিক রেগুলার মামলা দায়ের করার উদ্যোগ নিতে পারেন। নদীর মাটি কাটার বিষয়ে তিনি আলাদা কোন মন্তব্য করেননি।

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    March 2026
    S M T W T F S
    1234567
    891011121314
    15161718192021
    22232425262728
    293031