swadhinshomoy
17th Aug 2025 8:10 am | অনলাইন সংস্করণ Print
মোক্তার হোসেন,কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ
খুলনার কয়রা উপজেলার বাগালীর রাস্তাটি দীর্ঘ বছরের পর বছর সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।।বড় বড় গর্তে রাস্তাটি যেন মৃত্যুর ফাঁদে পরিণত হয়েছে। স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। স্থানীয়দের অভিযোগ খানাখন্দে ভরা বেহাল দশার এই রাস্তাটি দীর্ঘ সময় পার হলেও শুরু হয়নি সংস্কার কাজ। রাস্তাটি দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের।
খুলনার কয়রা উপজেলার বাগালীর রাস্তাটি দীর্ঘ বছরের পর বছর সংস্কার না হওয়ায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।।বড় বড় গর্তে রাস্তাটি যেন মৃত্যুর ফাঁদে পরিণত হয়েছে। স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। স্থানীয়দের অভিযোগ খানাখন্দে ভরা বেহাল দশার এই রাস্তাটি দীর্ঘ সময় পার হলেও শুরু হয়নি সংস্কার কাজ। রাস্তাটি দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের।
সরেজমিনে সড়কে গিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, বাণিজ্যিক কেন্দ্র ঘুগরাকাটি বাজার হতে বাগালী লঞ্চ ঘাট পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার এই সড়কে ইট উঠে খানাখন্দে পরিনত হয়েছে। এতে এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণের চলাচলে চরমভাবে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।।সড়কের অভিমুখে একটি কাঁচা রাস্তা।দেশ স্বাধীনের পর থেকে আজ পর্যন্ত রাস্তাটি পাকা হয়নি।এই সড়কের পাশ দিয়ে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মসজিদ ও মাদ্রাসা রয়েছে।দুর -দুরান্ত থেকে অনেক কোমলমতি স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুলে যেতে হয়। গর্তে পড়ে বই পুস্তক ভিজে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি সংস্কার করার দাবি সর্বস্তরের জনসাধারণের।একাধিক শিক্ষার্থীরা সংবাদ প্রতিনিধিকে জানান, আমরা একটি নদী পার হয়ে লালুয়া বাগালী মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যাই ,যখনই সড়কে পা রাখি কাঁচা রাস্তা, রাস্তাটি বড় বড় গর্তে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়ে পড়েছে। প্রায় সময় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সময় মতো বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে পারিনা। মাঝে মধ্যে গর্তে পড়ে বই পুস্তক নষ্ট হয়ে যায়।ফিরে যেতে হয় বাড়ীতে। বিদ্যালয়ে যেতে খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। জরুরী ভিত্তিতে দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য সড়ক ও জনপথের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ ও দাবি জানিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ বহুবার স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে অবিহিত করেও কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।সড়কটির কোনো সংস্কার না হওয়ায় অসংখ্য স্থানে তৈরি হয়েছে ছোট-বড় গর্ত।এই রাস্তাটি ব্যবহার করে প্রতিনিয়ত চলছে স্কুল- কলেজগামী শিক্ষার্থী, মুর্মুষ্য রোগী, ব্যবসায়ী, কৃষক,যাত্রী ,পণ্যবাহী, যানবাহন চালক ও পথচারী। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তার গর্তগুলোতে পানি জমে বেহাল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।আমাদের প্রাণের দাবি জনদুর্ভোগ বিধায় দ্রুত সময়ের মধ্যে রাস্তাটি সংস্কারের জন্য সড়ক- জনপথের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
একজন পল্লী চিকিৎসক দুঃখ প্রকাশ করে জানান,আমরা তো প্রতিবার ভোট দিয়ে প্রতিনিধি নির্বাচিত করি, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা রাস্তা সংস্কার করে দিবে বলে আশ্বাস দিয়ে যায় কিন্তু দুঃখের বিষয় তারা রাস্তা সংস্কার কাজ করে না। আমাদের এ দুর্ভোগ দেখবে কে। তিনি আরও বলেন,সময় এসেছে এখন আমাদের জনদুর্ভোগ বিবেচনা মনে করে রাস্তাটি জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারের দাবি জানিয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
এ বিষয়ে মাষ্টার আসমাউল হোসেন জানান,দেশ স্বাধীনের পর থেকে এ রাস্তাটি জরাজীর্ণ ।চরমভাবে দুর্ভোগের শিকার হয়ে আসছে এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ। বিশেষ করে স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজগামী শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।সময় মতো শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে পারে না। জনদুর্ভোগ বিধায় ,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে, রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করার জোর দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য শাহ আলম জানান, দীর্ঘ দিন ধরে বাগালী লঞ্চ ঘাট থেকে ঘুগরাকাটি বাজার পর্যন্ত রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
বিশেষ করে স্কুল- কলেজগামী শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে জনসাধারণের চলাচলে উপযোগী করার দাবি জানিয়েছে।
উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের
+88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।

