মোহাম্মদ মিনার হোসেন খান, পলাশ (নরসিংদী)
যুক্তরাষ্ট ও ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি বন্ধ থাকলেও কাটছে না জ্বালানি তেলের সংকট। সারা দেশের মতো পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল তেলের পাম্পে দেখা দিয়েছে তীব্র তেল সংকট। পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তির পরে ও পরিবহন চালকেরা পাচ্ছে না কোন তেল। পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল এলাকায় অবস্থিত একমাত্র পেট্রোল পাম্পে টানা পাঁচ দিন ধরে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যানবাহন চালক ও সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোড়াশাল নাজমুল সিএনজি পাম্পে গত পাঁচ দিন ধরে জ্বালানি তেল না থাকায় মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকেরা প্রয়োজনীয় জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারছে না। অনেককে বাধ্য হয়ে দূরের পাম্পে গিয়ে তেল নিতে হচ্ছে। এতে যেমন সময় নষ্ট হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে অতিরিক্ত খরচও।
স্থানীয় চালকেরা অভিযোগ করে বলেন, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় প্রতিদিনই দুর্ভোগ বাড়ছে। পাম্পে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে অনেককে খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে। এতে ব্যক্তিগত ও পেশাগত কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
অন্যদিকে, তেলের দাম বাড়তে পারে এমন আশঙ্কায় অনেকে আগাম তেল মজুদ করে রাখছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু সাধারণ মানুষই নয়, কিছু পাম্প মালিক ও ব্যবসায়ীও নানা উপায়ে তেল মজুদ করছেন বলে স্থানীয়দের ধারণা। এতে কৃত্রিম সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠছে।
১০ এপ্রিল ২০২৬ রোজ শুক্রবার ঘোড়াশাল নাজমুল সিএনজি পাম্পে গিয়ে দেখা যায়, ফুয়েল ডিসপেন্সারের গায়ে তেল নেই লেখা টানানো রয়েছে। পাম্পের কর্মকর্তা জুয়েল জানান, গত পাঁচ দিন ধরে আমাদের পাম্পে তেল সরবরাহ নেই। সরবরাহ কমে যাওয়ায় জনদুর্ভোগ বেড়েছে। দ্রুত জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে তিনি জানান।

