মুঃআ:মা:মানিক চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
চলতি তীব্র দাবদাহে যখন সাধারণ মানুষের জীবন ওষ্ঠাগত, তখন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তৈরি হচ্ছে এক মানবিক বিপর্যয়।একদিকে তীব্র গরম,অন্যদিকে লোডশেডিং—এই দুইয়ের মাঝে জেনারেটর না থাকায় হাসপাতালের ভর্তীকৃত রোগীরা ছটফট করছেন।
অন্ধকার ও ভ্যাপসা গরম ফটিকছড়িতে বিদ্যুতের লোডশেডিং নিয়মিত চলতে থাকে,বিদ্যুৎ চলে গেলেই পুরো হাসপাতাল জুড়ে নেমে আসে আমাবস্যা,অন্ধকারে নিমজ্জিত।একটু স্বস্তির বাতাসের জন্য রোগীরা চটপট করতে থাকে,বেছে নেয় হাতপাখা বা লিটারেচার যা দিয়ে বাতাস করতে বাধ্য হচ্ছেন।
বিপর্যস্ত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা,চিকিৎসকগন ব্যহত হচ্ছেন চিকিৎসা সেবা দিতে কারন বিদ্যুৎ চলে গেলে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় পুরো হসপিটাল ঘুটঘুটে অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে যায়। তীব্র গরমে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে নবজাতক, শিশু এবং বৃদ্ধ রোগীরা। অনেক জরুরি চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষাও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে। সুস্থ হতে এসে রোগীরা উল্টো আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন এবং রোগীর স্বজনেররাও অসুস্থ হয়ে পড়তেছে।
চট্রগ্রামে ফটিকছড়ি উপজেলা হচ্ছে সবচেয়ে বড় উপজেলা আয়তনে ফেনী জেলার সমান।
(৭৭৩.৫৫ বর্গকিলোমিটার) অথচ এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পার্শ্ববর্তী হাটহাজারী উপজেলার ফরহাদ থেকেও প্রতিনিয়ত রোগী আসে,ফটিকছড়ির মতো একটি উপজেলায় সরকারি হাসপাতালে জরুরি মুহূর্তে বিকল্প বিদ্যুৎলাইন বা জেনারেটরের ব্যবস্থা না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং অনভিপ্রেত। যা ফটিকছড়িবাসীর হৃদয়ে নিয়মিত রক্তক্ষরন হয়।
ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দিকে তাকানোর ব্যক্তির কি এতোই অভাব ফটিকছড়িতে।
ফটিকছড়িতে সামর্থবান ব্যক্তিগনকে এগিয়ে এসে এই হাাপাতালের চলমান সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এসে সদকায়ে জারিয়ার সওয়াবে অংশীদার আহবান জানাচ্ছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ফটিকছড়ি র,রোগীর চিকিৎসা ঝুকির কথা চিন্তা করে, চলমান সমস্যা সমাধানের জন্য Uno Fatikchhari Chattogram কে বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।
এই যেন অভিভাবকহীন কোন এক দৃশ্য।

