মোঃমারুফ,বরিশাল ব্যুরোঃ
বরিশাল শহরের কালি বাড়ি রোডের ফেয়ার হেলথ ক্লিনিকে রোগীর মৃত্যু নিয়ে গাইনি চিকিৎসক ডাঃ হাসিনা মর্তুজার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও গুজব বলে জানিয়েছেন ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ।
গত ১৫ মে পেটের ব্যথা নিয়ে ফেয়ার হেলথ ক্লিনিকে ভর্তি হন হাফসা আক্তার রুপা (২৫)। পরবর্তীতে ২২ মে ডাঃ হাসিনা মর্তুজার তত্ত্বাবধানে তার ওভারিয়ান টিউমারের অস্ত্রোপচার করা হয়। অপারেশনের পর কয়েক মাস তিনি বেঁচে ছিলেন।
এ ব্যাপারে ডাঃ হাসিনা মর্তুজা বলেন,
“যদি আমার চিকিৎসা ভুল হতো, তাহলে রুপা এতদিন বেঁচে থাকতে পারতো না। আসলে তার সমস্যার মূল কারণ ছিল নার্ভে প্যাচ ধরা, যার জন্য তিনি স্বাভাবিকভাবে খাবার খেতে পারছিলেন না। এ বিষয়টি সার্জারি বিভাগে পড়ে, তাই তাকে সার্জন ডাঃ জহিরুল হক মানিকের কাছে রেফার করা হয়েছিল।”
ক্লিনিকের মালিক ও সার্জারি চিকিৎসক ডাঃ জহিরুল হক মানিক বলেন,
“রোগীকে বাঁচাতে হলে ইমিডিয়েট অপারেশন প্রয়োজন ছিল। আমি বারবার সেটা বলেছি। কিন্তু রোগীর পরিবার তখন রাজি হয়নি। তারা সময় নষ্ট করায় রোগীর অবস্থা জটিল হয়ে যায়। এর জন্য হাসিনা মর্তুজা বা অন্য কারও অবহেলা নয়, বরং পরিবারের সিদ্ধান্তই রোগীকে বাঁচাতে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
ডাঃ হাসিনা মর্তুজা ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের দাবি, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল অপপ্রচার চালিয়ে চিকিৎসককে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছে। বাস্তবে তিনি যথাসময়ে চিকিৎসা দিয়েছেন এবং রোগীকে বিশেষজ্ঞ সার্জনের কাছে পাঠিয়েছেন।
চিকিৎসক হাসিনা মর্তুজা বলেন,
“আমি নির্দোষ। আমার নামে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেগুলো ভিত্তিহীন ও গুজব ছাড়া কিছু নয়।”

