• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • ডিমলায় ব্যাপক উৎসাহে শুরু হলো হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম 

     swadhinshomoy 
    21st Apr 2026 2:16 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    মো: জুয়েল রানা, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

    শিশুদের প্রাণঘাতী রোগ থেকে সুরক্ষায় ডিমলা উপজেলা-এ ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওশন কবির, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুজ্জামানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ ক্যাম্পেইনের আওতায় ডিমলা উপজেলায় মোট ৩৩ হাজার ১৬৫ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মসূচির প্রথম দিনেই প্রায় ২ হাজার শিশুকে টিকা প্রদানের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

    ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে এক ডোজ এমআর টিকা প্রদান করা হবে। ইতোমধ্যে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুত, প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং সুষ্ঠু কোল্ড-চেইন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুজ্জামান বলেন, “১১ দিনব্যাপী এই টিকাদান কার্যক্রমের মধ্যে ৮ দিন কমিউনিটি পর্যায়ে এবং ৩ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত হবে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ২৪০টি সাব-ব্লক কেন্দ্রের মাধ্যমে ধাপে ধাপে এই কর্মসূচি সম্পন্ন করা হবে।”

    তিনি আরও বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করবেন এবং টিকাদান কার্যক্রম সম্পূর্ণ নিরাপদভাবে পরিচালিত হবে। কোনো ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, হাম ও রুবেলা অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যা শিশুদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং কখনো কখনো প্রাণঘাতীও হতে পারে। তাই এ রোগ প্রতিরোধে টিকাদানই সবচেয়ে কার্যকর ও নিরাপদ উপায়।

    এদিকে, স্থানীয় অভিভাবকদের মাঝে টিকাদান কর্মসূচি নিয়ে ব্যাপক সচেতনতা লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের শিশুদের টিকাকেন্দ্রে নিয়ে আসছেন। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকল অভিভাবককে শিশুদের টিকা দেওয়ার জন্য টিকাকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সরকার নিয়মিতভাবে এ ধরনের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে, যা শিশু মৃত্যুহার কমানোসহ জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    April 2026
    S M T W T F S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    2627282930