সাংবাদিক মোঃ জাহিদ হোসেন
দৈনিক স্বাধীন সময়
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই জ্বালানি তেলের ভোগান্তি যেন অনিবার্য বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংকট নিরসনে নানা পদক্ষেপ নেয়া হলেও পরিস্থিতিতে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং দিন দিন ফিলিং স্টেশনগুলোতে অপেক্ষমান যানবাহনের সারি আরও দীর্ঘ হচ্ছে।
ইরান যুদ্ধ কে কেন্দ্র করে পৃথিবী এস্থবির অবস্থা। আমেরিকার অর্থ নৈতিক অবস্থা নরবরে। বিশ্ব অর্থনীতি কে বা কারা নিয়ন্ত্রণ করবে এখনি স্পষ্ট না । বিশ্ব অর্থনীতিতে খনিজ সম্পদের ভূমিকা অপরিসীম। বর্তমান বিশ্বে জ্বালানি তেলের উৎপাদন ইরান ৬ষ্ঠ স্থানে থাকলেও যুদ্ধে পরাশক্তি হিসেবে ইরানের অবস্থা মজবুত। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে জ্বালানি সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। যার প্রভাব থেকে বাংলাদেশ বের হতে পারছে না। পেশাদারিত্বে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। নিয়মিত সংবাদ সংগ্ৰহে সহর থেকে গ্ৰাম বহু পথ চলতে গিয়ে জ্বালানি সংকটে পরতে হয়। কোন পাম্পে তেল সংগ্রহ করতে সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে হয় কখনো কখনো তেল না পেয়ে পেশা দায়িত্ব পালন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। কিছু উঠতি বয়সের ছেলেরা সমষ্টিগত ভাবে বিরম্বনা সৃষ্টি করে। পেশা দায়িত্ব পালন করেন এমন সাংবাদিক দের জন্য প্রত্যেক পাম্পে নির্দিষ্ট একটি লাইন অথবা নির্দিষ্ট একটা সময় নির্ধারণ করে দিলে সাংবাদিকরা তাদের দায়িত্ব পালন করতে আরো আন্তরিক হবেন বলে আমার বিশ্বাস। সরকারের জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী মহোদয় বিষয়টি বিবেচনা করলে জাতির বিবেক সাংবাদিকরা উপকৃত হবেন। সাংবাদিক সংগঠনের দায়িত্ব প্রাপ্ত নেত্রী বৃন্দু সরকারের দায়িত্বশীলদের সাথে আলোচনা করে একটি সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে স্বচেষ্ট হবেন। মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের একটি মানবিক চাওয়া।

