• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • বকশীগঞ্জে নিম্নমানের শিশুখাদ্যে বাজার ভরা, ঝুঁকিতে শিশু 

     swadhinshomoy 
    21st Apr 2026 2:33 pm  |  অনলাইন সংস্করণ Print

    আবু তাহের, বকশিগঞ্জ প্রতিনিধি

    জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীন ও নিম্নমানের শিশুখাদ্যে স্থানীয় বাজারগুলো সয়লাব হয়ে গেছে। নামী-দামী ব্র্যান্ডের মোড়ক নকল করে তৈরি করা চিপস, জুস, চকলেট ও পাউডার ড্রিংকস এখন উপজেলার প্রায় প্রতিটি পাড়া-মহল্লার দোকানে সহজলভ্য হয়ে উঠেছে। এসব খাদ্যে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিক শিশুদের শরীরে দীর্ঘমেয়াদী বিরূপ প্রভাব ফেলছে বলে সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা।
    পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র কলাহাটি মোড়কে ঘিরে গড়ে উঠেছে এসব ভেজাল পণ্যের বড় পাইকারি ও খুচরা বাজার। অনুসন্ধানে জানা গেছে, অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফার আশায় এসব অনুমোদনহীন পণ্য বিভিন্ন হাট-বাজারে সরবরাহ করছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের ছোট দোকানগুলোকে লক্ষ্য করে এই সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
    সরেজমিনে দেখা গেছে, ভেজাল খাদ্যপণ্যের মোড়কগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রঙিন হওয়ায় শিশুরা সহজেই এগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকরা বিষয়টি না বুঝেই সন্তানের হাতে এসব ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য তুলে দিচ্ছেন।
    বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ তামিম। তিনি বলেন, “এসব ভেজাল খাদ্যে ব্যবহৃত নিম্নমানের উপাদান ও রাসায়নিক শিশুদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। নিয়মিত এসব খাবার গ্রহণ করলে লিভার জটিলতা, দীর্ঘমেয়াদী কিডনি সমস্যা এমনকি ক্যানসারের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।”
    এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন। ব্যবসায়ী মনি মদক বলেন, “সবাই বিক্রি করে, তাই আমিও রাখি। সবাই বন্ধ করলে আমিও করব।” অপর ব্যবসায়ী চাঁন মিয়া জানান, “ঢাকার চকবাজার থেকে এসব পণ্য আসে। সেখানে বন্ধ হলে আমরাও আনব না।”
    উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মোস্তফা কামাল টিটন বলেন, ইতোমধ্যে খাদ্যে ভেজালের দায়ে পারভীন স্টোরের মালিক ফকির আলীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। “বাজার পরিদর্শনে ভয়াবহ চিত্র পাওয়া গেছে। যারা শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে খেলছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে,”—যোগ করেন তিনি।
    স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, প্রশাসনের পর্যাপ্ত নজরদারির অভাবেই এ ধরনের অসাধু চক্র প্রকাশ্যে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
    এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেন বলেন, “জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। খুব শিগগিরই কলাহাটি মোড়সহ উপজেলার সব বাজারে বিশেষ মনিটরিং জোরদার করা হবে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    উপরের নিউজটি মাঠ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে করা এ বিষয়ে কোন দ্বিমত থাকলে প্রমাণসহ dailyswadhinshomoy@gmail.com এ ইমেইল করে আমাদেরকে জানান অথবা আমাদের +88 01407028129 নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৫:০৫
    জোহর ১১:৪৬
    আসর ৪:০৮
    মাগরিব ৫:১১
    ইশা ৬:২৬
    সূর্যাস্ত: ৫:১১ সূর্যোদয় : ৬:২১

    আর্কাইভ

    April 2026
    S M T W T F S
     1234
    567891011
    12131415161718
    19202122232425
    2627282930